লাইফস্টাইল ডেস্ক : পুষ্টিবিদদের মতে, রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায় এমন খাবার খাওয়া বিপদের কারণ হতে পারে। তাই চিনি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খেতে ভীষণ সুস্বাদু হলেও তা এড়িয়ে চলা উচিত। কেননা রক্তে শর্করার মাত্রা ওঠানামা কিংবা বেড়ে গেলে বিপাকক্রিয়ার ভারসাম্য নষ্ট হয়। এতে পেটে গোলযোগ, হজমে সমস্যাসহ ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
তাহলে কি চিনির বদলে মধু বেছে নেয়া নিরাপদ, এমন প্রশ্ন মাথায় চলে আসতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক চামচ চিনিতে যে পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট থাকে, ঠিক একই পরিমাণ মধুতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বেশি থাকে। তবে মধুতে গ্লুকোজের চেয়ে ফ্রুক্টোজের পরিমাণ অনেক বেশি পরিমাণে থাকে। আবার ‘গ্লাইসেমিক ইনডেক্স’-এর দিক থেকে চিনির চেয়ে মধু এগিয়ে রয়েছে।
এ ছাড়া অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ মধু রক্তে ‘খারাপ’কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। তবে এত গুণ থাকলেও ডায়াবেটিস রোগীরা চিনির বিকল্প হিসেবে মধুকে বেছে নিতে পারবে কি না তা নিয়ে এখনও বিস্তারিত গবেষণার প্রয়োজন। তবে সবচেয়ে কার্যকর পন্থা হলো যেকোনো খাবার চিনি ছাড়া খাওয়ার অভ্যাস করা। এতে আপনি যেমন নীরোগ থাকতে পারবেন আবার বয়সকে ধরে রেখে দীর্ঘসময় ধরে নিজেকে সুন্দরও রাখতে পারবেন।
তবে পুষ্টিবিদরা বলছেন, মধুর উপকারিতা পেতে ছোট এক টুকরা দারুচিনির সঙ্গে আধা চামচ মধু খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন প্রতিদিন। গরমের সময়তেও এ অভ্যাস চালু রাখতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন, মধু খাওয়ার পরিমাণ যেন আধা চামচের বেশি না হয়। গরম কোনো পানীয়ের সঙ্গে কখনও মধু মিশিয়ে খেতে যাবেন না। এতে উপকারের তুলনায় আপনার অপকার হওয়ার আশঙ্কা বেশি বলে মনে করছেন পুষ্টিবিদরা।
সূত্র: আনন্দবাজার
কিউএনবি/আয়শা/০৫ মার্চ ২০২৩,/বিকাল ৩:১২