বাদল আহাম্মদ খান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি : সারিবদ্ধভাবে এক এক করে টেবিলে সাজানো পাটিসাপটা, পাক্কন পিঠা, মাশরুম পিঠা, মালপোয়া, ভর্তা পিঠা, চকলেট ভেজিটেবল, তালের পিঠা, দুধ পলি, বিবিখানা পিঠা, বেøইড পিঠা, হৃদয় হরণ, গোলাপফুল পিঠা, চিতই, নারকেল পুলি, খাজা পিঠাসহ বাহারি ৫৪ ধরণের পিঠা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনাইটেড কলেজের চতুর্থ তলায় বিজ্ঞান দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা পিঠার এমন পসরা সাজিয়ে বসেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনাইটেড কলেজে বৃহস্পতিবার হওয়া পিঠা উৎসবে সব মিলিয়ে স্থান পায় শতাধিক পিঠা। কলেজের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা কলেজের নয়টি কক্ষে স্টল সাজিয়ে পিঠা উৎসবের আয়োজন করেন। পিঠা উৎসব উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আল-মামুন সরকার।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্য উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ আবদুল কবির তপন, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মহিউদ্দিন খান খোকন, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইবনে আইন মারুফ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল, কলেজের উদ্যোক্তা ও পরিচালক হারুন অর রশিদ, শাহীন মৃধা ও শাহাদৎ হোসেন, পরিচালক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ। কলেজর নিচতলা থেকে চতুর্থতলা পর্যন্ত নয়টি স্টলে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা টেবিলে বাহারি পিঠা সাজিয়ে রাখেন। বিক্রিও হয়েছে বেশ ভালো।
একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী বৃষ্টি রানী দাস, আফিফুল ইসলাম জানান, তাদের স্টলে ৩০ ধরণের পিঠা রয়েছে। আকরাম মিয়া, সাইমা সরকার ও মারিয়া আক্তার জানান, ১১ জন মিলে দেওয়া তাদের স্টলে সকাল ১১টা পর্যন্ত দেড় হাজার টাকা বিক্রি হয়। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আল-মামুন সরকার বলেন, ‘পিঠা উৎসবের আয়োজন দেখে শৈশবের কথা মনে পড়ে গেছে। মা-চাচীরা আগে অনেক ধরণের পিঠা বানাতেন। এখন আর সেই আমেজ নেই।’ আয়োজনে খুশি হয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের ২০ হাজার টাকা উপহার দেন।
কিউএনবি/আয়শা/২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩/বিকাল ৩:৩৪