আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সম্প্রতি ইরানের ফোরদো পরমাণু স্থাপনা পরিদর্শন করে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রতিনিধি দল। শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সেই পরিদর্শনের একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এতে অভিযোগ করা হয়, ইরানের পরমাণু স্থাপনাটিতে শতকরা ৬০ ভাগ পর্যন্ত ইউরোনিয়াম সমৃদ্ধ করতে সক্ষম উন্নত সেন্ট্রিফিউজের দুটি ক্লাস্টারের মধ্যে আন্তঃসংযোগে একটি অঘোষিত পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিষয়টি তাদের জানানো হয়নি বলেও দাবি করেন আইএইএ প্রধান।
বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন ইরানের আণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ ইসলামি। ফোরদো পরমাণু স্থাপনা নিয়ে যে প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে তা সঠিক নয় বলে দাবি করে তিনি বলেছেন, আনুষ্ঠানিক বৈঠকের আগেই বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়ে অপেশাদার ও অগ্রহণযোগ্য আচরণ করেছেন আইএইএ প্রধান। এ ধরনের কর্মকাণ্ড আইএইএ’র গ্রহণযোগ্যতা ও সুনামকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে ইরানের দোষে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় পরমাণু আলোচনা বন্ধ হয়নি বলে দাবি করেছেন ইরানের প্রতিনিধি দলের প্রধান ও উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলী বাকেরি কানি। উল্টো পরমাণু সমঝোতা চুক্তি নিয়ে পুনরায় সংলাপ শুরুর বিষয়ে তেহরান সবসময় প্রস্তুত বলে দাবি করেন তিনি।
২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। এরপর তা আবার কার্যকর করার লক্ষ্যে ২০২১ সালের মার্চে পশ্চিমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসে ইরান। কিন্তু ২০২২ সালের আগষ্টে তা স্থগিত হয়ে যায়। এরপরই বিষয়টি নিয়ে পাল্টাপাল্টি দোষারোপ করে ইরান ও পশ্চিমারা।
কিউএনবি/আয়শা/০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩/সন্ধ্যা ৬:৫০