রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মার্কিন কারাগার থেকে সমর্থকদের কী বার্তা দিলেন মাদুরো ফ্রান্সে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগোবে আজ রোনালদোও কী মেসির মতো হতে চান? বকেয়া না মেটালে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে কঠোর পদক্ষেপ নেবে বিসিবি ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধি দলের নোয়াখালীতে নিখোঁজের দুদিন পর ডোবায় ইটভাটা শ্রমিকের লাশ দি জেন্টলম্যান’স কাট এর আয়োজনে র‌্যাফেল ড্র ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‎বৃষ্টি উপেক্ষা করে সিন্ধুরমতি মেলায় হাজারো মানুষের ঢল, আজ সমাপনী কালীগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মৃত্যু সচিবালয়ের বিভিন্ন দপ্তরে প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন

চাঁদে মানব বসতি এক দশকের মধ্যেই

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২২
  • ১৪৩ Time View

ডেস্কনিউজঃ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা চাঁদে মানব জীবনধারণের উপযোগী স্থাপনা গড়ার প্রকল্প নিয়ে কাজ শুরুর পরিকল্পনা করছে। আর্টেমিস প্রকল্পের বিভিন্ন অংশ ও যন্ত্রাংশের কার্যক্ষমতা ও নির্ভরযোগ্যতা প্রমাণিত হলে পুরোদমে তৈরি হবে মানব বসতি।

আর্টেমিস ওয়ান মিশনের অংশ হিসাবে ১৬ নভেম্বর চাঁদের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে ওরিয়ন স্পেসক্যাফট। চাঁদে ভবিষ্যতের বৈজ্ঞানিক মিশনগুলো পরিচালনার জন্য দীর্ঘ সময় মানব জীবনধারণের উপযোগী বাসস্থান প্রয়োজন হবে বলে মন্তব্য করেছেন ওরিয়ন নির্মাণ প্রকল্পের প্রধান হাওয়ার্ড হু। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসএলএস রকেটে চড়ে ওরিয়নের চন্দ্রযাত্রাকে ‘মানব সভ্যতার মহাকাশযাত্রার ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক দিন’ হিসাবে বর্ণনা করেছেন তিনি। বর্তমানে চাঁদ থেকে ৫৮ হাজার ৮০০ মাইল দূরে আছে আর্টেমিস। চাঁদে নভোচারীদের বয়ে নেওয়ার জন্যই ওরিয়নের নকশা করেছে নাসা। তবে পরীক্ষামূলক প্রথম মিশনে কোনো মানব যাত্রী নেই যানটিতে। তার বদলে তিনটি পুতুল বা ম্যানিকিন রয়েছে এতে।

১৬ নভেম্বরের আর্টেমিস ওয়ান উৎক্ষেপণ দেখার অভিজ্ঞতাকে ‘একটি অবিশ্বাস্য অনুভূতি’ এবং ‘একটি স্বপ্প’ ছিল বলেছেন হু। আর্টেমিস ওয়ান সফল হলে দ্বিতীয় মিশনে মানব নভোচারীরা থাকবেন বলে জানিয়েছেন হু। তৃতীয় মিশনে নভোচারীদের নিয়ে চাঁদে অবতরণ করবে ওরিয়ন। শেষবারে চাঁদে কোনো নভোচারীর পদচিহ্ন পড়েছিল ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসে। নাসার চাঁদে ফিরতে চাওয়ার একটি বড় কারণ হচ্ছে, উপগ্রহটির দক্ষিণ মেরুতে পানির অনুসন্ধান করা। চাঁদে সত্যিই পানি থাকলে তা মঙ্গলগামী মহাকাশযানের জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে বলে মনে করেন তিনি। ‘আমরা নভোচারীদের চন্দ্রপৃষ্ঠে পাঠাব এবং তারা সেখানে থেকে গিয়েই বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালাবেন।’

কিউএনবি/বিপুল/২৩.১১.২০২২/সকাল ১১.৩৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit