বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
দুর্গাপুরে সম্মাননা পেলেন ৭ গুণীজন অবহেলায় মৃত প্রায় উলাশী’র জিয়া খাল : ধ্বংশ হয়ে গেছে জিয়া মঞ্চ নামে জিয়ার ঘর মাটিরাঙ্গায় সম্প্রীতি সভা অনুষ্ঠিত: শান্তি ও উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার ‎সরকারি বিধি তুড়ি মেরে ব্যবসা ও গুণ্ডামি, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ নোয়াখালীতে অটোরিকশা চালককে গলা কেটে হত্যা: ৩ দিনেও রহস্যের জট খুলেনি মাদ্রসা শিক্ষাখাতকে আধিনিকায়ন করতে সরকার বদ্ধপরিকর-এমপি অধ্যপক মতিয়ার রহমান শেষ ওয়ানডের সেরা খেলোয়াড় ছিলেন সৌম্য, তাকেই দলে রাখেনি বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জে যুবদল নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর, আহত ১ স্বর্ণের ভরি বেড়ে ২ লাখ ৭০ হাজার ছাড়াল তেহরানের মেহরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে বড় বিস্ফোরণ

শিশুদের রোটা ভাইরাসের লক্ষণ, কখন হাসপাতালে যাবেন

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর, ২০২২
  • ১১৭ Time View

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : রোটা ভাইরাস খুব সংক্রামক একটি ভাইরাস। ভ্যাকসিন আবিষ্কারের আগে, ৫ বছর বয়সের মধ্যে অন্তত একজন শিশু এই ভাইরাস দ্বারা সংক্রামিত হতো। রোটা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে প্রচুর তরল খাবার খেতে হয়। কারণ তখন শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। গুরুতর পানিশূন্যতা দেখা দিলে হাসপাতালে শিরার মাধ্যমে স্যালাইন দিতে হয়।  

শিশুদের( ৩ থেকে ৩৫মাস) মধ্যে রোটা ভাইরাস খুবই সাধারণ। রোটা ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার দুই দিনের মধ্যেই এর লক্ষণ শুরু হয়। প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে আছে, জ্বর এবং বমি। এরপর তিন থেকে সাত দিন থাকবে পানিযুক্ত ডায়রিয়া। সংক্রমণের ফলে পেটে ব্যথাও হতে পারে। সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেই দেখা দিতে পারে কিন্তু লক্ষণগুলো কম প্রকাশ পায়।

লক্ষণ

দূষিত খাবার বা পানি খাওয়ার দুই দিনের মধ্যে এই লক্ষণ প্রকাশ পায়। যেমন:

১. জ্বর
২. পেট খারাপ
৩. পেটে ব্যথা 
৪. খিদা কমে যাওয়া
৫. মুখ বা গলা শুকিয়ে যাওয়া
৬. মাথা ঘোরা
৭. বিরক্তি বা অস্বস্তি বোধ।  
৮. তিন থেকে সাত দিন পানিযুক্ত ডায়রিয়া।

যেসব শিশুরা রোটা ভাইরাসে আগে একবার আক্রান্ত হয়েছিল তারা আবার আক্রান্ত হতে পারে। তবে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হয়ে যায়। তাই বেশি কাবু করতে পারে না। তবে যেসব শিশুরা প্রথমবার আক্রন্ত হয় তাদের অবস্থা একটু বেশি গুরুত্বর হয়।

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?

শিশু

** ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ডায়রিয়া।
** ঘন ঘন বমি এবং ঘন ঘন পায়খানা  করলে।
** কালো পায়খানা বা রক্ত ​​এবং পুঁজযুক্ত পায়খানা হলে।
** জ্বর ১০২ বা তার বেশি।
** ক্লান্ত, খিটখিটে বা পেটে ব্যথা থাকলে।
** পানি শূন্যতার লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা দিলে। যার মধ্যে রয়েছে শুষ্ক মুখ, কাঁদলে চোখ দিয়ে পানি বের না হওয়া , অল্প বা প্রস্রাব না করা, অস্বাভাবিক ঘুম এবং প্রচণ্ড নেতিয়ে পড়লে।

প্রাপ্তবয়স্ক 

** ২৪ ঘণ্টার জন্য তরল শরীরে থাকছে না।
** দুই দিনের বেশি ডায়রিয়া।  
** বমি বা মলত্যাগের সময় রক্ত ​যাচ্ছে।
** জ্বর ১০৩ বা এর চেয়ে বেশি।
** অত্যধিক তৃষ্ণা, শুষ্ক মুখ, অল্প প্রস্রাব, গুরুতর দুর্বলতা, দাঁড়ালে মাথা ঘোরা বা হালকা মাথাব্যথা সহ পানি শূন্যতার লক্ষণ।

কী কারণে হতে পারে?

** আক্রান্ত ব্যক্তির মলের সংস্পর্শে গেলে
** অপরিচ্ছন্ন থাকলে
** আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে গেলে।
** দূষিত বা যেকোন ধরনের খাবার এবং পানি খেলে।

গুরুতর ডায়রিয়ার কারণে ডিহাইড্রেশন হতে পারে। বিশেষ করে ছোট বাচ্চাদের মধ্যে। চিকিৎসা না করা হলে, ডিহাইড্রেশনের কারণে মৃত্যু ঝঁকিও থাকে। তাই অবস্থা বুঝে শিশুকে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া প্রয়োজন। তবে শিশুদের রোটা ভাইরাসের টিকা পাওয়া যায়। চিকিৎসকের সাথে কথা বলে শিশুদের নির্দিষ্ট সময়ে টিকা দিয়ে দিতে হবে।

সূত্র : মায়ো ক্লিনিক।  

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০১ নভেম্বর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/দুপুর ২:২১

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit