শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মালয়েশিয়াকে গুঁড়িয়ে দিয়ে দাপুটে জয় পেল বাংলাদেশ পরকীয়া ও অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে চাপে ফিফা প্রধান ইনফান্তিনো সিলেটের ওসমানীনগরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৮ জন নিহত দুর্গাপুরে ৪০ বোতল ভারতীয় মদসহ আটক ২ নোয়াখালীতে সিএনজিতে ১১ কেজি গাঁজা, গ্রেপ্তার ১ বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি ঘিরে নতুন স্বপ্ন, আশার আলো দেখছে পার্বতীপুর নোয়াখালীতে ৯৭৯০ ইয়াবাসহ দুই পাচারকারী গ্রেপ্তার কাজের ঘণ্টা নয়, উৎপাদনশীলতাই হোক জাতীয় সমৃদ্ধির মাপকাঠি বিশ্বকাপে মেসিকে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র, বেরিয়ে এলো ভয়াবহ সব তথ্য পাবনায় প্রথমবারের মত চালু হলো শিশুদের সফট ইনডোর প্লে-গ্রাউন্ড ‘পিএস ডিজনিল্যান্ডে প্লে-গ্রাউন্ড’

জলাতঙ্কে বিশ্বে বছরে মারা যায় ৫৯ হাজার মানুষ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১৪৩ Time View

ডেস্ক নিউজ : জলাতঙ্ক মরণব্যাধি, যা প্রাণী থেকে মানুষে ও অন্য প্রাণীতে সংক্রমিত হতে পারে। কুকুর, বিড়াল, বানর, বেজি, শিয়ালের কামড় বা আঁচড়ে এ রোগ সংক্রমিত হয়। এই রোগে বিশ্বে বছরে ৫৯ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে।

এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরোধ ও নির্মূলের লক্ষ্যে ২০০৭ সাল থেকে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস পালিত হয়ে আসছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘জলাতঙ্ক :মৃত্যু আর নয়, সবার সঙ্গে সমন্বয়’। এ উপলক্ষে সরকার, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় সংগঠনের পক্ষ থেকে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার (সিডিসি) জুনোটিক ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রাম জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে র‌্যালি, সেমিনার, মুক্ত আলোচনা, জনসচেতনমূলক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান করবে। জনসচেতনতা বাড়াতে লিফলেট ও ফেস্টুন বিতরণ, জনবার্তা প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সিডিসি সূত্র জানিয়েছে, দেশে চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত ৯১ হাজার ৬১০টি কুকুরকে টিকা দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে ২ লাখ ৯৯ হাজার ৯৮৯ জনকে জলাতঙ্ক প্রতিরোধে টিকা দেওয়া হয়েছে। এ সময় জলাতঙ্কে আক্রান্ত ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২০২১ সালে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৮২৭টি কুকুরকে টিকা দেওয়া হয়েছে। ২ লাখ ৭৮ হাজার ৬৬৩ জনকে টিকা দেওয়া হয়। ওই বছর ৪০ জনের মৃত্যু হয়।

জলাতঙ্ক ভয়ংকর সংক্রামক রোগ; যার কোনো চিকিৎসা আবিস্কৃৃত হয়নি এবং মৃত্যুই আক্রান্ত রোগীর অনিবার্য পরিণতি। প্রধানত কুকুর থেকে (৯৫ শতাংশের বেশি) জলাতঙ্ক রোগের সংক্রমণ ঘটে। শিয়াল, বিড়াল, বেজি, বানর এমনকি আক্রান্ত গবাদি পশু থেকেও এ রোগ মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীতে সংক্রমিত হতে পারে। জলাতঙ্ক বিপজ্জনক হলেও এটি শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য। তিনি বলেন, কুকুর বা সন্দেহজনক জলাতঙ্কগ্রস্ত প্রাণী দ্বারা আক্রান্তের পর দেহে সৃষ্ট ক্ষতস্থান যথাশীঘ্র ক্ষারযুক্ত সাবান ও প্রবহমান পানি দিয়ে ১৫ মিনিট ধৌত করা হলে সেখানে নিপতিত লালা বা রেবিস ভাইরাস নিষ্ফ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। সহজ এ প্রযুক্তি প্রয়োগ করে প্রায় ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে এ ভয়ংকর ব্যাধি প্রতিরোধ করা সম্ভব হতে পারে।

কিউএনবি/অনিমা/২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/সকাল ১১:৪৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit