মোঃ আফজাল হোসেন (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ক্রয়কৃত জমিতে চাষাবাদে প্রতিপক্ষের বাধা দেয়ায় উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে, যে কোন সময় সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।জমির ক্রেতা ক্রয়কৃত জমিতে চাষাবাদে বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেড (এডিএম) আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকলের, থামেনি প্রতিপক্ষরা।জানাগেছে ফুলবাড়ি উপজেলার এলুয়াড়ী ইউনিয়নের গণিপুর মৌজার এসএ ২৫১ খতিয়ানের ২০৭৬ নং দাগের ৪৯ দশমিক ৫ শতক জমি ক্রয়সুত্রে পার্বতীপুর উপজেলার হরিহরপুর গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেনের স্ত্রী খালেদা খানম মালিক হন।
শুধু খালেদা খানমই নয়, খালেদা খানম জার নিকট থেকে প্রাপ্ত হয়েছেন তারাও, রেকডিও মালিকের নিকট থেকে ক্রয়করে দির্ঘ ৬০ বছর থেকে ওই জমি ভোগ দখল করে আসচ্ছে। কিন্তু দির্ঘ ৬০ বছরপর রেকডিও মালিকের ওয়ারিশ চিরিরবন্দ্রর উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের হাসান মোল্লা, হাসান আলীর মোল্লার ছেলে সোহাগ আলী মোল্লা, সবুজ আলী মোল্লাসহ তার নিকট আত্মীয় স¦জনেরা, জমির ক্রেতা খালেদা খানকে চাষাবাদ করতে বাধা প্রদান করে আসচ্ছেন, এতেকরে খালেদা খানম তার ক্রয়কৃত জমি শান্তিপূর্ন ভাবে চাষাবাদ করতে পারছেনা, এই ঘটনায় স্থানীয় ভাবে কয়েক দফা সালিশ হলেও প্রতিপক্ষরা সালিশের সীদ্ধান্ত না মানায়, তাদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেড আদালতে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলা বিচারাধীন থাকলেও জমি চাষাবাদে নিয়মিত ভাবে বাধা প্রদান করে আসচ্ছে প্রতিপক্ষরা।
খালেদা খানমের স্বামী মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন জমি চাষাবাদ করতে গেলেই প্রতিপক্ষরা লাঠি-শোটা নিয়ে তাদের উপর হামলা করতে আসে, তাদের হামলার প্রতিবাদ করতে গেলেই যে কোন সময় সংর্ঘষ বাদতে পারে এজন্য তিনি আদালতে বিচার প্রার্থী হয়েছেন।এবিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিপক্ষ হাসান আলী মোল্লার ছেলে সোহাগ আলী মোল্লা বলেন এ জমি তার দাদা পরবত মোল্লার নামে এসএ রেকড রয়েছে, এজন্য তারা জমি চাষাবাদ করতে বাধা প্রদান করছেন।এদিকে খালেদা খানমের স্বামী মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন রেকডিও মালিক পরবত মোল্লা এ জমি গত ৬০ বছর পূর্বে বিক্রি করেছে, সেই বিক্রির ধারাবাহিকতায় তার স্ত্রী খালেদা খানম খরিদ করেছে। তিনি প্রশাসনের উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের আসুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
কিউএনবি/অনিমা/০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/সকাল ১১:২০