বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১০ নতুন ধারা বাংলাদেশ’র শান্তাসহ ৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ উত্তরাঞ্চলের তিন জেলার উন্নয়নে একটি মেগা প্রকল্পের কাজ শুরু হচ্ছে ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ভারতের অর্থনীতি ৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে: নির্মলা সীতারামন ‘তাকে ছাড়া গজনি সফল হতো না’, প্রদীপ রাওয়াতকে আমির খানের শ্রদ্ধাঞ্জলি ‘গ্রেফতারের নাটক সাজিয়ে দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা’, বিধানসভায় বিজয়কে একহাত নিলেন উদয়নিধি হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১০৮৩ আরেকটি বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশা গ্রেপ্তার জুলাই আহত যোদ্ধা মিতুর খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভোজেশ্বর ভূমি অফিসের অবৈধ হাতছানিতে হারিয়ে যাচ্ছে কৃষি ও সরকারী জমি

খোরশেদ আলম বাবুল শরীয়তপুর প্রতিনিধি ।
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন, ২০২২
  • ২৩৮ Time View

খোরশেদ আলম বাবুল শরীয়তপুর প্রতিনিধি : শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার এক তৃতীয়াংশ এলাকা জুড়ে রয়েছে ভোজেশ্বর ইউনিয়ন ভূমি অফিস। এই ভূমি অফিসের কর্মকর্তার অধিক্ষেত্র ভোজেশ্বর, জপসা, ফতেজঙ্গপুর ও বিঝারী ইউনিয়ন এলাকা। এই ভূমি অফিসে বদলী হতে হলে অনেক কাঠ-খড় পোড়াতে হয় কর্মকর্তাকে। অনেক কাঠ-খর পুড়িয়ে তিন বছর ধরে সেই অফিসে দায়িত্ব পালন করে আসছেন মোহাম্মদ খবির উদ্দিন। দায়িত্ব পালনকালে অবৈধভাবে অধিক্ষেত্রের রূপ পরিবর্তণ করে অনেক বেশীই লাভবান হয়েছে এই কর্মকর্তা। এখন তিনি অর্থে-বিত্তে বালিয়ান।


ভোজেশ্বর ভূমি অফিসের অধিক্ষেত্র এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গত তিন বছরে তিন শতাধিক ছোট-বড় পুকুর খনন হয়েছে ফসলি জমিতে। পুকুর, ডোবা, নিচু জমি ও ফসলি জমি ভড়াট হয়েছে চার শতাধিক। সরকারি জায়গা দখল ও ভড়াট হয়েছে অনেক। আর এই সবই হয়েছে ভোজেশ্বর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ খবির উদ্দিনের অবৈধ হাতছানিতে। অবৈধ এই সকল কাজ হয় ছুটির দিন ও রাতের আধাঁরে। তিনি ভূমি উন্নয়ন কর আদায় থেকেও হাতিয়ে নেয় টাকা। বেশীরভাগ নামজারীর প্রতিবেদন দেন দালালের মাধ্যমে চুক্তি করে। এক কথায় রাম রাজত্ব কায়েম করছেন তিনি। দীর্ঘদিন বিনোদপুর, ছয়গাঁওসহ ছোটখাট ভূমি অফিসে চাকুরী করে তেমন সুবিধা গ্রহণ করতে পারেননি তিনি। এবার ভোজেশ্বর ভূমি অফিস থেকে তিন বছরে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার সুযোগ হয়েছে তার। এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চায়নি সে।

ভোজেশ্বরের চান্দনী থেকে মুলফৎগঞ্জের রাস্তা ধরে যেতে যেতে ফতেজঙ্গপুর ইউনিয়নের শেষ পর্যন্ত গেলে দেখা যাবে এই ভূমি কর্মকর্তার ক্ষমতা। এখনও ভড়াট হচ্ছে ফসলী ও সরকারী জমি। খনন হচ্ছে একাধিক পুকুর। আর এই সবই হচ্ছে ভোজেশ্বর ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোহাম্মদ খবির উদ্দিনের অবৈধ উদ্যোগে। ভোজেশ্বর বাজারের অনেক খাস জমি এখন মালিকানা জমিতে রূপান্তর হয়েছে। এমনি ভাবে জপসা ও বিঝারী ইউনিয়নের আনাচে কানাচে এই কর্মযজ্ঞ চলছেই। ভূমি অফিসারের সাথে যোগাযোগ করে কাজ করলে কোন সমস্যা হয়না বলে জানায় স্থানীয়রা।

এই বিষয়ে ভোজেশ্বর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ খবির উদ্দিন বলেন, কোথায় কে কি করল তা নিয়ে বসে থাকার সময় নাই তার। তিনি এমনিতেই অনেক কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটান। তবুও বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন তিনি। তবে তার যাতায়াতের পথে চান্দনী বেইলী ব্রিজের পূর্ব পাশে একটি ফসলী জমি ভড়াট চলছে তা এই কর্মকর্তা প্রতিদিন দুই বার দেখেন। কিন্তু আইনী ব্যবস্থ নিতে পারছেন না অবৈধ সুবিধা গ্রহণের কারণে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৬.০৬.২০২২ খ্রিস্টাব্দ/৪:৫৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit