সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিএনপি কর্মী মকবুল হত্যা: হাজী সেলিমপুত্র ও মোস্তফা জালাল গ্রেপ্তার ‘ইসলাম শ্রেষ্ঠ ধর্ম’ বলে মন্তব্য কর্ণাটকের মন্ত্রীর ভারতে চলন্ত বাসে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ২ বাংলাদেশের সঙ্গে ফারাক্কা চুক্তি নবায়নের বিষয়ে সতর্কবার্তা দিল পশ্চিমবঙ্গ রামমন্দিরে ৪ কোটি রুপির চেক, অ্যাকাউন্টে মিলল ৪ রুপি বিবাহিত পুরুষদের যে বিষয়ে সতর্ক করলেন অমিতাভ বচ্চন সমাজসেবা অধিদপ্তরের ৪ কর্মকর্তার অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন বেকার হয়ে গেলেই মনে হয় পাপ করেছি, পপিকে খোঁচা বাপ্পারাজের কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও রংপুরে মাঠ প্রশাসনের সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ ইমরান খান ইস্যুতে ক্রিকেটারদের সতর্ক করল পিসিবি

খালের ওপর নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো, ৭ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৯ মে, ২০২২
  • ৩৩১ Time View

ডেস্ক নিউজ : সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার খাষকাউলিয়া কে আর পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়সংলগ্ন মরা খালের ওপর নির্মিত ১৫০ ফুট দৈর্ঘ্যের বাঁশের সাঁকোটি নড়বড়ে হয়ে গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ এই সাঁকো দিয়েই সাত গ্রামের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। বর্ষা এলেই দুর্ভোগ বেড়ে যায় সাঁকোতে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ অসুস্থ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন। ঝড়বৃষ্টিতে বাঁশের সাঁকোতে পারাপার বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। দ্রুত সেতু নির্মাণের দাবি স্থানীয়দের। 

জানা যায়, কয়েক বছরের নদীভাঙনে চৌহালী উপজেলার অধিকাংশ রাস্তাঘাট নদীতে বিলীন হওয়ায় উপজেলা সদরের সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের মানুষের যোগাযোগের একমাত্র সড়ক কেআর পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সড়কই এখন ভরসা। কিন্তু এই সড়কের স্কুলসংলগ্ন মরা খালে দুই বছর আগে ১৫০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। এই সাঁকো দিয়ে খাষকাউলিয়া ও চরজাজুরিয়াসহ পার্শ্ববর্তী উপজেলা নাগরপুরের ভুমুরিয়া, মারমা ও খাষশাহজানিসহ সাত গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ নিয়মিত চলাচল করেন। এ ছাড়া সাঁকোটির দুই পাশে প্রায় ১৭ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কমপক্ষে ৯ হাজার শিক্ষার্থী নিয়মিতা চলাচল করে। দ্রুত এখানে একটি কনক্রিটের সেতু নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর। 

এ বিষয়ে খাষকাউলিয়া কেআর পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মিরাজুল ইসলাম ও নাজমুল হোসেন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে আমাদের চলাচল করতে হয়। বর্ষায় সাঁকোটি আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। এখানে একটি কনক্রিটের সেতু নির্মানের দাবি জানাই। এদিকে প্রভাষক নওজেশ হোসেন ও স্কুলশিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এখানে একটি পাকা সেতু ছিল। তবে ২০১৭ সালে বর্ষায় তা ভেঙে যাওয়ায় স্থানীয়রা স্বেচ্ছাশ্রম ও সহযোগিতায় বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে চলাচলের ব্যবস্থা করেছেন। বর্ষার মৌসুমে এই ঝুকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াতে অনেক সময় স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীরা দুর্ঘটনার শঙ্কায় থাকে। 

তারা আরও জানান, এ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বাজারহাট, হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। জনবহুল এলাকার গুরুত্বপুর্ণ সড়ক ভাঙ্গায় দ্রুত ব্রীজ নির্মাণ ও পূর্ণাঙ্গ সড়ক প্রয়োজন। তাই দ্রুত এখানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করে এলাকার মানুষের চলাচলের সমস্যা দুর করার জোর দাবি জানাই। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফসানা ইয়াসমিন জানান, এডিবির অর্থায়নে এখানে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া সাঁকোটি সরকারি টাকায় মেরামতও করা হয়েছিল। তবে এখানে স্থায়ী একটি সেতু নির্মাণে এলজিইডির মাধ্যমে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৯.০৫.২০২২ খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৪:০৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit