মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ডোমসারে বিএনপি নেতার হুকুমে জমি দখলের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী হতদরিদ্র মানুষের সেবার জন্যই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করছেন- বান্দরবান লামায় পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান । আটোয়ারীতে একাধিক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন- এমপি ব্যারিষ্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির ভূরুঙ্গামারীতে দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত ‘ঘরের মাঠে বাংলাদেশ সেরা, আমরাও প্রস্তুত’ আটোয়ারীতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত মুছাপুর রেগুলেটর না থাকায় এখন নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছেনা: বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ইরান যুদ্ধবিরতির দিকে যাচ্ছে না: গালিবাফ ব্রাজিলে ফুটবল ম্যাচে ‘কুংফু’, রেফারি দেখালেন ২৩ লাল কার্ড ‘মোজাইক ডিফেন্স’ কী? সাদ্দামের পরিণতি দেখে কেন এই কৌশল নেয় ইরান

খালের ওপর নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো, ৭ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৯ মে, ২০২২
  • ৩১৭ Time View

ডেস্ক নিউজ : সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার খাষকাউলিয়া কে আর পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়সংলগ্ন মরা খালের ওপর নির্মিত ১৫০ ফুট দৈর্ঘ্যের বাঁশের সাঁকোটি নড়বড়ে হয়ে গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ এই সাঁকো দিয়েই সাত গ্রামের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। বর্ষা এলেই দুর্ভোগ বেড়ে যায় সাঁকোতে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ অসুস্থ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন। ঝড়বৃষ্টিতে বাঁশের সাঁকোতে পারাপার বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। দ্রুত সেতু নির্মাণের দাবি স্থানীয়দের। 

জানা যায়, কয়েক বছরের নদীভাঙনে চৌহালী উপজেলার অধিকাংশ রাস্তাঘাট নদীতে বিলীন হওয়ায় উপজেলা সদরের সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের মানুষের যোগাযোগের একমাত্র সড়ক কেআর পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সড়কই এখন ভরসা। কিন্তু এই সড়কের স্কুলসংলগ্ন মরা খালে দুই বছর আগে ১৫০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। এই সাঁকো দিয়ে খাষকাউলিয়া ও চরজাজুরিয়াসহ পার্শ্ববর্তী উপজেলা নাগরপুরের ভুমুরিয়া, মারমা ও খাষশাহজানিসহ সাত গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ নিয়মিত চলাচল করেন। এ ছাড়া সাঁকোটির দুই পাশে প্রায় ১৭ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কমপক্ষে ৯ হাজার শিক্ষার্থী নিয়মিতা চলাচল করে। দ্রুত এখানে একটি কনক্রিটের সেতু নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর। 

এ বিষয়ে খাষকাউলিয়া কেআর পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মিরাজুল ইসলাম ও নাজমুল হোসেন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে আমাদের চলাচল করতে হয়। বর্ষায় সাঁকোটি আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। এখানে একটি কনক্রিটের সেতু নির্মানের দাবি জানাই। এদিকে প্রভাষক নওজেশ হোসেন ও স্কুলশিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এখানে একটি পাকা সেতু ছিল। তবে ২০১৭ সালে বর্ষায় তা ভেঙে যাওয়ায় স্থানীয়রা স্বেচ্ছাশ্রম ও সহযোগিতায় বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে চলাচলের ব্যবস্থা করেছেন। বর্ষার মৌসুমে এই ঝুকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াতে অনেক সময় স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীরা দুর্ঘটনার শঙ্কায় থাকে। 

তারা আরও জানান, এ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বাজারহাট, হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। জনবহুল এলাকার গুরুত্বপুর্ণ সড়ক ভাঙ্গায় দ্রুত ব্রীজ নির্মাণ ও পূর্ণাঙ্গ সড়ক প্রয়োজন। তাই দ্রুত এখানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করে এলাকার মানুষের চলাচলের সমস্যা দুর করার জোর দাবি জানাই। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফসানা ইয়াসমিন জানান, এডিবির অর্থায়নে এখানে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া সাঁকোটি সরকারি টাকায় মেরামতও করা হয়েছিল। তবে এখানে স্থায়ী একটি সেতু নির্মাণে এলজিইডির মাধ্যমে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৯.০৫.২০২২ খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৪:০৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit