ডেস্ক নিউজ : দেড় বছর আগে ঢাকার খিলক্ষেতের ডেলনা এলাকার মজিবর রহমানের (৫০) লাশ পূর্বাচল ২৫ নম্বর সেক্টরের গজারি বন থেকে উদ্ধার করে গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানার পুলিশ। জমিজমা কেনাবেচার ব্যবসা করতেন মজিবর। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রুমি বেগম বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে খিলক্ষেতের পাতিরা এলাকার মো. রাসেলকে (৩৫) গ্রেপ্তার করে মজিবর হত্যার রহস্য উদঘাট করেছে গাজীপুর পুলিশ ব্যুারো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। রাসেল ওই এলাকার মৃত রুহুল আমীনের ছেলে।
পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান জানান, নিহত মজিবর ও গ্রেপ্তারকৃত রাসেলসহ আরো কয়েকজন একসাথে জমি বেচাকেনার ব্যবসা করতেন। খিলক্ষেতের পাতিরা এলাকায় নছু মিয়া নামে এক ব্যক্তির প্লট বিক্রির দায়িত্ব নেন মজিবর। রাসেল ও অন্যরা প্লট বিক্রিতে সহায়তা করেন। কিন্তু মজিবর লাভের টাকা অন্যদের দিতে অস্বীকার করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব বাঁধে। ২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর ব্যবসায়িক কথা আছে বলে মজিবরকে মোবাইলে ডেকে আনেন রাসেলরা। পরে মাদক সেবনের নাম করে নির্জন গজারী বনে নিয়ে প্লাস দিয়ে পায়ের নখ তোলা হয় তার। ব্যথায় চিৎকার দিলে ঘাতকরা তাকে গলা টিপে হত্যা করে বলে স্বীকার করেন। এসব কথা স্বীকার করেন গ্রেপ্তার হওয়া রাসেল। গতকাল বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে পাঠানো হলে তিনি হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা এবং অন্যান্য আসামিদের কার কী ভূমিকা ছিল বিস্তারিত বর্ণনা করে বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।
কিউএনবি/আয়শা/২০.০৫.২০২২ খ্রিস্টাব্দ/সকাল ১১:৩৮