রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় পাশে থাকবে ভারত: হাইকমিশনার ইউনূস সেন্টারে ফিরলেন ড. ইউনূস বৃহস্পতিবার বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, দেবেন একুশে পদক ১৪ লাখ বাংলাদেশির ভিসা ইস্যু করা হয়েছে : সৌদি রাষ্ট্রদূত সেনাবাহিনীর উচ্চ পর্যায়ে বড় রদবদল নেত্রকোণায় সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় অধ্যক্ষ রাবেয়া খাতুন নেত্রকোনায় জাতীয় অগ্রাধিকারের রুফটপ সোলারে আহ্বান জা‌নি‌য়ে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি কাপ্তাই হ্রদে রাতের বেলায় পাঁচারকালে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় সিগারেট জব্দ নওগাঁয় এক ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার ‘ভারতের সাবেক ক্রিকেটারদের ভাষা খারাপ’

যে কারণে নিষেধাজ্ঞার পরও ধসে পড়ছে না রুশ অর্থনীতি

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৬ মে, ২০২২
  • ১১৫ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কিছুদিন আগে রাশিয়ার তেলবাহী ট্যাংকারগুলো নিজ দেশ থেকে অজানা গন্তব্যের দিকে ছেড়ে যাওয়ার খবর আসে। মাঝসমুদ্র থেকে ট্যাংকারগুলো হারিয়ে যাচ্ছে বলেও গুঞ্জন ওঠে। তবে সেগুলো ঠিক হারিয়ে যাচ্ছিল তা নয়, ইউরোপীয় দেশগুলো বেনামে রাশিয়ার তেল কিনছিল। ফলে পশ্চিমাদের এত এত অবরোধ সত্ত্বেও যে রুশ অর্থনীতি ধসে যায়নি, তার মূল কারণ এই গোপন তেল–বাণিজ্য।

দ্য ইকোনমিস্ট প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে জানিয়েছে, রুশ অর্থনীতি ধসের পূর্বাভাসকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছে। সামষ্টিক অর্থনীতি ব্যবস্থাপনায় কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছে দেশটি। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুঁজিপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ ও উচ্চ সুদহার কার্যকর করে সমর্থন দেওয়ায় দেশটির মুদ্রা রুবলের পতন ঠেকানো গেছে।

যুদ্ধ শুরুর পর পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞার ধাক্কায় রুশ মুদ্রা রুবলের ব্যাপক দরপতন হয়। তখন রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রার পতন ঠেকাতে নীতি সুদহার অনেকটা বৃদ্ধি করে। এতে মুদ্রার দরপতন ঠেকানো সম্ভব হয়।

ইউক্রেনের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে রাশিয়া একদিকে নিষেধাজ্ঞায় পড়লেও যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় লাভবানও হয়েছে তারা। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি ইনস্টিটিউটের তথ্যানুসারে, জানুয়ারি মাসের তুলনায় এপ্রিল মাসে ৫০ শতাংশ বেশি তেল বিক্রি করে মস্কো ২০ বিলিয়ন ডলার বা ২ হাজার কোটি ডলার আয় করছে।

এপ্রিল মাসে রাশিয়া দৈনিক গড়ে ৮০ লাখ ১০ হাজার ব্যারেল তেল বিক্রি করেছে। অর্থাৎ যুদ্ধ শুরুর আগে যে পরিস্থিতি ছিল, সেই পর্যায়ে ফিরে গেছে তারা। ভারত ও চীন বিশ্বের বৃহত্তম তেল আমদানিকারক, তাদের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় রাশিয়ার পোয়াবারো হয়েছে। আর বাজার ধরে রাখতে রাশিয়া আন্তর্জাতিক বাজারের চেয়ে কম দামে তেল বিক্রির প্রস্তাব দিলে ভারত ও চীন তা লুফে নেয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার ব্যাপক সমালোচনা করলেও রাশিয়ার তেলে এখনো পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি। এখনো ইউরোপ রাশিয়ার তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। তবে ইউরোপের তেল কেনার পরিমাণ অনেকটা কমে গেছে।

ফিনল্যান্ডভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ার জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৬ হাজার কোটি ডলারের জীবাশ্ম জ্বালানি জাহাজ ও পাইপলাইনের মাধ্যমে রপ্তানি করেছে মস্কো। ফলে ২০২২ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে হাইড্রোকার্বন খাত থেকে রুশ সরকারের রাজস্ব বছরওয়ারি হিসাবে ৮০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।  সূত্র: ইকোনোমিস্ট

কিউএনবি/অনিমা/১৬.০৫.২০২২ খ্রিস্টাব্দ/সকাল ১১:০৭

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

February 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit