সাভার প্রতিনিধি : সাভারে আকিব (২০) নামে এক শিক্ষার্থীকে মাথায় কেঁচি দিয়ে আঘাত করেছে কিশোর গ্যাংরা। এই ঘটনায় ওই শিক্ষার্থী গুরুতর জখম হয়েছে। পরে তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারী বিভাগে ভর্তি করেছেন। রোববার দুপুরে সাভারের ব্যাংক কলোনির মাদ্রাসা মসজিদ এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর বড় ভাই সন্ধ্যায় সাভার মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। আহত আকিব (২০) সাভার সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে এবছরে এইচ এসসি পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণ হয়েছে এবং ইউসিসি কোচিং সেন্টারের অনার্সে ভর্তির জন্য নিয়মিত ক্লাস করছে। সে আশুলিয়ার উত্তর জামগড়ার সুলতান হাওলাদারের ছোট ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতের বড় ভাই সাকিব জানান, আমার ছোট ভাই আকিব(২০) সাভার সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে এবছর এইচএসসি পাশ করেছে। ভার্সিটিতে ভর্তির জন্য সাভার ওয়াপদা রোডের ইউসিসি কোচিং সেন্টারে প্রতিদিনের মতো কোচিং শেষ করে বাসায় ফেরার পথে ব্যাংক কলোনি মাদ্রাসা মসজিদের সামনে পৌঁছানো মাত্রই কিশোর গ্যাংয়ের লিডার রাব্বি মৃধা(১৯), কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য রাফি(১৯), সদস্য রাজ (২০), সদস্য পিয়াল ও রুমানসহ অজ্ঞাত ৩ থেকে ৪জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার ভাইকে হত্যার উদ্দেশ্যে পথরোধ করে। আমার ছোট কিছু বুঝে উঠার পূর্বেই কিশোর গ্যাংক লিডার রাব্বি মৃধা তার হাতে থাকা ধারালো কেঁচি দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে ছোট ভাইয়ের কপালের মাঝ বরাবর আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। আঘাতের ফলে আমার ভাই মাটিতে পড়ে গেলে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা এলোপাথাড়ি ভাবে কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরে বিভিন্ন স্থানে নিলাফুলা জখম করে চলে যায়।পরে স্থানীয়রা আকিবকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। ছোট ভাইয়ের অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় পরে তাকে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আমরা এর সুষ্ঠ বিচারের দাবী জানাই।
এবিষয়ে সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ পাভেল মোল্লা বলেন, এই হামলার ঘটনায় ভুক্তভোগীর বড় ভাই অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে কিশোর গ্যাংদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।