শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজারের হোটেলে ফের অগ্নিকাণ্ড, রক্ষা পেলেন ৩ শতাধিক পর্যটক ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ জরুরি: ডা. রফিক গাজীপুরে ঘরে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগ, একই পরিবারের শিশুসহ দগ্ধ ৪ ভারত থেকে আমদানি করা চালে মিলল ‘আফলাটক্সিন’ নামক ক্ষতিকর উপাদান পুলিশের সক্ষমতায় দুই মেগা প্রকল্প, ৬৬০৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব সৌদিতে হুতিদের হামলা, বাংলাদেশের তীব্র নিন্দা দ্রুততম মানব-মানবী ইমরান-শিরিন, টাইমিং নিয়ে প্রথম দিনেই বিতর্ক ফরিদপুরে বাস-অ্যাম্বুলেন্স সংঘর্ষ, নিহত ৩ জাতীয় সামার অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি মস্কোর সঙ্গে ট্রাম্পের তেল চুক্তির পর যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে রুশ ডিজেল ট্যাংকার

মিজান-বাছিরকে ৩ ও ৮ বছর করে কারাদণ্ড

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ৯৭ Time View

 

ডেস্কনিউজঃ অবৈধভাবে তথ্য পাচার ও ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় পুলিশের বরখাস্ত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে ৩ বছরের ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের ৮ বছরের কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।

বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার আগে মিজান ও বাছিরকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে সাজা পরোয়ানাসহ তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত এই রায়ের তারিখ ধার্য করেন। ২৩ ডিসেম্বর মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এ মামলায় মোট ১২ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।

এ মামলায় মোট ১২ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।

মামলার অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার থাকার সময় বিয়ে গোপন করতে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করানোর অভিযোগ ওঠে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া এক সংবাদ পাঠিকাকে প্রাণনাশের হুমকি ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে মিজানের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) হয়।

নারী নির্যাতনের অভিযোগে ২০১৯ সালের জানুয়ারির শুরুর দিকে তাঁকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়। ওই বছরের ২৪ জুন সম্পদের তথ্য গোপন ও অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মিজানুরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। সেটির অনুসন্ধান কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির।

মামলার তদন্ত চলাকালে ডিআইজি মিজান অভিযোগ করেন, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে রেহাই দিতে দুদকের পরিচালক এনামুল বাছির তার কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। এ অভিযোগ ওঠার পর বাছিরকে সরিয়ে দুদকের আরেক পরিচালক মো. মঞ্জুর মোরশেদকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়। ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে শেখ মো. ফানাফিল্লাহকে প্রধান করে তিন সদস্যের দলকে অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলাটি করেন দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লাহ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তাও ছিলেন তিনি।

২০২০ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েসের আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। ৯ ফেব্রুয়ারি আসামিদের উপস্থিতিতে এই চার্জশিট গ্রহণ করা হয়। ১৮ মার্চ ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

কিউএনবি/বিপুল/২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | দুপুর ১:০৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit