সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আশুলিয়ায় ধামসোনা কৃষক দলের নবগঠিত কমিটির ফুলেল শুভেচ্ছা বিশ্ববাজারে কমল স্বর্ণের দাম এবার রিয়াল মাদ্রিদকে ৭ গোল দিল বার্সেলোনা কিডনি আবার গজাবে, দালালের এমন কথায় গ্রামটির নাম ‘কিডনি ভ্যালি’ আজ থেকে ঘোষণা শুরু নোবেলজয়ীদের নাম কমলো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত? প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেই এগিয়ে যেতে হবে : প্রধানমন্ত্রী এক দিনও ব্যাটিং করতে পারল না বাংলাদেশ মোগলহাট স্থলবন্দর চালুর সুসংবাদ দিলেন দুই মন্ত্রী, পরিদর্শনে মিলল নতুন আশার আলো গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব নির্বাচনে রাজনীতির মেরুকরণ,বিএনপির নেতা প্রেসক্লাব সভাপতি, সম্পাদক জামায়াত

মেঘনা নদীর সংযোগ খালে বাঁশের সাঁকো, গ্রামবাসীর দুর্ভোগ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১৬৫ Time View

 

ডেস্ক নিউজ : লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের অন্তত ১০ গ্রামকে শহর থেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে মেঘনা নদী। যাতায়াত ও পণ্য পরিবহণের জন্য এসব গ্রামের অধিকাংশ মানুষের ভরসা দুই কিলোমিটারে অবস্থিত বাঁশের ১০টি সাঁকো। উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের খাসেরহাট থেকে স্লুইসগেট পর্যন্ত সড়কের নাইয়াপাড়া এলাকায়, চরকাছিয়া থেকে বেড়িবাঁধ পর্যন্ত সড়কের নতুন ব্রিজ এলাকায় এবং মধ্য চরকাছিয়া থেকে মেঘনারচর পর্যন্ত সড়কের এলাকায় মেঘনা নদীর সংযোগ খালের ওপর ১০টি বাঁশের সাঁকো আছে। তিন ফুট প্রশস্ত ও ১০০ থেকে ২০০ ফুট দীর্ঘ এসব সাঁকো নির্মাণে ব্যয় হয়েছে অন্তত ৫ লাখ টাকা। নদীর দুই কিলোমিটারে ১০টি সাঁকোর অবস্থান।

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর বর্ষার পর অগ্রহায়ণ মাসে সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়া হয়। কিন্তু বর্ষা শুরু হলে জ্যৈষ্ঠ মাস নাগাদ পানির জোয়ারে ওই সব সাঁকো ভেসে যায়। তখন সেসব স্থানে আবার খেয়া পারাপারের ব্যবস্থা করা হয়। বছরের পর বছর সাঁকোর পেছনে মোটা অঙ্কের অর্থ অপচয় হচ্ছে। মেঘনা নদীর ৩০০ গজ পরেই বেড়িবাঁধ সড়কে খাসেরহাট পর্যন্ত এলাকায় উচ্চবিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২০০ গজ দূরেই মেঘনা নদীর সংযোগ খালের ওপর ১০টি বাঁশের সাঁকো।

চরবংশী জনতা উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র আরিফুল ইসলাম বলেন, তাদের বিদ্যালয়সহ তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অন্তত এক হাজার শিক্ষার্থী আছে। নদীর ওপর পাকা সেতু না থাকায় তাদের ঝুঁকি নিয়ে খেয়া পার অথবা সাঁকো পার হতে হয়। বেড়িবাঁধের ব্যবসায়ী খলিল মিয়া বলেন, চরাঞ্চল এলাকার বাসিন্দা হয়েও সেতুর অভাবে বাজারের ব্যবসায়ীদের পণ্য পরিবহণে ভোগান্তির শিকার হতে হয়। উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন বলেন, মেঘনা নদীর সংযোগ খালের ওপর সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করে যাচ্ছি। গত বছর এলজিইডি দপ্তর থেকে একটি সেতু নির্মাণের বরাদ্দ হয়েছিল, কিন্তু কয়েকজন জেলে পরিবারের বাঁধার কারণে হয়নি।

রায়পুর উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা মোস্তফা মিনহাজ যুগান্তরকে বলেন, মেঘনা নদীর বেড়িবাঁধের পাশে সংযোগ খালে ১০টি সাঁকোর জায়গায় গত বছর সেতু নির্মাণ করতে গেলে স্থানীয় জেলেরা তাদের বড় নৌকা যাতায়াতে বাধা সৃষ্টির কারণে বন্ধ হয়ে যায়। এখানে উঁচু ও বড় সেতু নির্মাণ করতে হবে। এ বিষয়ে আমরা এলজিইডির ঢাকা কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করব।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৭শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/|বিকাল ৫:৩৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit