শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৬ অপরাহ্ন

একটানা স্ক্রিনে চোখ? বদলে যাচ্ছে শিশুর চোখের আকার!

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১২৫ Time View

 

স্বাস্থ্য ডেস্ক :  করোনাকালের অনেক ক্ষতির মধ্যে অন্যতম একটি ক্ষতি স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়া। দূরত্ব ও সর্তকর্তা অবলম্বন করতে গিয়ে বলতে গেলে টিউশনের পথও ভুলতে বসেছে বাচ্চারা। গত দু’বছর ধরে করোনা আবহে ডিজিটাল মাধ্যমেই চলছে লেখাপড়া। লেখাপড়া থেকে নাচ, গান, গিটার শেখা, সবই চলছে অনলাইনে। তার জেরে দিনের অনেকটা সময়ই তাদের কাটছে মোবাইল, ল্যাপটপ কিংবা ডেস্কটপে নজর রেখে। যা ভীষণভাবে প্রভাব ফেলছে শিশুদের চোখে। 

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন যে, গত বছরই অন্তত ২৫ শতাংশ বেড়েছে বাচ্চাদের চোখের সমস্যা। দীর্ঘক্ষণ চোখে চাপ পড়ায় বদলে যাচ্ছে তাদের চোখের মণির আকার। নাকের উপর উঠছে চশমা। এমনকী অনেকেরই দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হচ্ছে।

জেনে উদ্বিগ্ন হবার মতন যে, চিকিৎসকদের মতে এই সমস্যাও অতিমারীর আকার ধারণ করতে শুরু করেছে। ১৯৭১ সালের পর অমেরিকাতে এই করোনা আবহে ৪২ শতাংশ বেড়েছে দৃ্ষ্টিশক্তি ক্ষীণ হওয়ার সমস্যা।

তবে শুধুই ছোটরা নয়, ভুগছে কিশোর-কিশোরী ও প্রাপ্তবয়স্করাও। এশিয়ার দেশগুলোতেও ৯০ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছে চোখের সমস্যা।

একটি গবেষণা বলছে, দীর্ঘসময় স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকার পাশাপাশি ক্ষুদ্র আকারে লেখা বই পড়াও এর অন্যতম কারণ।

প্রাথমিকভাবে চশমা এই সমস্যা মেটালেও স্ক্রিন টাইমে লাগাম না টানলে অদূর ভবিষ্যতে দৃষ্টিশক্তি হারাতেও হতে পারে।

আর শুধুই দৃষ্টিশক্তি কমছে এমনটা নয়, এর ফলে হতে পারে চোখের শিরা শুকিয়ে যাওয়া, মাথাব্যথার মতো নানা রোগ।

তাই এখন খুব গুরুত্বপূর্ণ সময় চোখের যত্ন নেওয়ার জন্য। তাই দেখে নেওয়া যাক কী কী উপায়ে জীবনের অতি মূল্যবান চোখের যত্ন নেওয়া যায়-

২০-২০ নিয়ম মেনে চলতে পারেন। যেমন, একটানা স্ক্রিনের সামনে বাচ্চাকে বসে থাকতে দেওয়া যাবে না। প্রতি ২০ মিনিট পর অন্তত একবার করে বিরতি নিক। সেই সময়টা তাকে স্ক্রিন থেকে অন্তত ২০ ফুট দূরত্বে নিয়ে যেতে হবে। ২০ সেকেন্ডে ২০ বার পলক ফেলতে হবে। এতে চোখ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে পারে।

কম্পিউটরের স্ক্রিনের ব্রাইটনেস যতটা সম্ভব কমিয়ে রাখতে হবে। এতে অতিরিক্ত রশ্মি থেকে রক্ষা পাবে সন্তানের চোখ। মোবাইলের ক্ষেত্রেও তাই। রাতে মোবাইল দেখার প্রয়োজন পড়লে তার নাইট মোডটি অন করে রাখুন।

কম্পিউটার ব্যবহার করলে চেষ্টা করুন মনিটরটি তা যতটা দূরে রেখে যেন কাজ করে বাচ্চা। চিকিৎসকরা ছোট স্ক্রিনের বদলে বড় স্ক্রিন ব্যবহারেরই পরামর্শ দিচ্ছেন।

মাঝেমধ্যেই বাচ্চার চোখের রুটিন চেক-আপ করান। মাথা যন্ত্রণা বা চোখে ব্যথা করলে অকারণ ওষুধ না খাইয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। অবসর সময়ে চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নিতে বলুন। সম্ভব হলে নিয়মিত সবুজ ঘাস কিংবা গাছগাছালির দিকে তাকিয়ে থাকার সুযোগ করে দিন তাকে।

সূত্রঃ সংবাদ প্রতিদিন

কিউএনবি/অনিমা/১৯ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/দুপুর ২:৪৯

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit