শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাহুলের আচরণে অসন্তোষ, ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে কেন্দ্রকে নোটিস সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনায় কি ব্যায়াম বন্ধ করতে হয়? ডাল খাওয়ার সঠিক নিয়ম, যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন হাড় মজবুত করতে সাহায্য করতে পারে লবঙ্গ, গবেষণায় মিলেছে সম্ভাব্য উপকারিতা একসঙ্গে পাঁচ সরকারি চাকরি করে বিপাকে ব্রিটিশ নাগরিক প্রতিমা বিসর্জনে দুর্ঘটনা মোকাবিলায় প্রস্তুত কোস্টগার্ডের ডুবুরি দল মুসলিমবিরোধী স্লোগান, স্পেনকে শাস্তি দিল ফিফা দুর্গাপূজায় দেশবাসীকে জিএম কাদেরের শুভেচ্ছা, সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান দুর্গোৎসবে হিন্দু সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা জানালেন জামায়াত আমির শনিবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে কিনা, যা জানা গেল

ফিলিপাইনে সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি, জরিমানা ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২০ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ফিলিপাইনে সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগে ছয় কোম্পানিকে ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার জরিমানা করা হয়েছে। 

বুধবার (১৪ অক্টোবর) এমন কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে ফিলিপাইনের কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা ছয়টি কোম্পানিকে ১৭৬ কোটি পেসো (২ কোটি ৮০ লাখ ডলার জরিমানা করেছে। এই কোম্পানিগুলো একটি ‘সিন্ডিকেট’ গড়ে তুলেছিল, যার ফলে পেঁয়াজের দাম আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছিল।

২০২২ সালে ফিলিপাইনে পেঁয়াজের দাম বেড়ে প্রতি কেজি ৮০০ পেসোতে পৌঁছায়, যা ছিল একটি রেকর্ড। এই দাম দেশটির দৈনিক ন্যূনতম মজুরি এবং মাংসের দামকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

এই সংকট তৎকালীন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ফার্ডিনান্ড মার্কোস জুনিয়রের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করে, যিনি খাদ্যপণ্যের ক্রমবর্ধমান দাম কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

বুধবার ফিলিপাইন কম্পিটিশন কমিশন (পিসিসি) জানিয়েছে, পেঁয়াজ আমদানিকারক, সংরক্ষণকারী ও পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আরোপিত এই জরিমানা ২০১৬ সালে কমিশন গঠনের পর থেকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় অঙ্কের জরিমানা।

২০২২ সালের শেষ দিক থেকে ২০২৩ সালের শুরু পর্যন্ত কয়েক মাস ধরে রেস্তোরাঁগুলোর মেনু থেকে পেঁয়াজ উধাও হয়ে গিয়েছিল এবং এটি চোরাচালানের বস্তুতে পরিণত হয়েছিল।

এমনকি পেঁয়াজ এক পর্যায়ে আভিজাত্যের প্রতীকেও পরিণত হয়; এমনকি একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে কনের হাতে ফুলের তোড়ার পরিবর্তে পেঁয়াজের তোড়াও দেখা গিয়েছিল।

কর্তৃপক্ষ জরুরি ভিত্তিতে পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন দেয়। প্রেসিডেন্ট মার্কোস এই সংকটের পেছনে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার করেন। তিনি বলেন, ‘তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে ফিলিপাইনের মানুষ অনাহার ও দারিদ্র্যে মারা যাচ্ছে।’

২০২৩ সালের পরবর্তী সময়ে স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন বাজারে আসায় সংকট কেটে যায় এবং দাম স্থিতিশীল হয়।

মূল্য সংকট তদন্তের দায়িত্বে থাকা একটি সংসদীয় কমিটি জানায়, পেঁয়াজের দামের এই ‘কৃত্রিম’ উল্লম্ফনের পেছনে একটি সিন্ডিকেট কাজ করছিল।

পিসিসি জানিয়েছে, কোম্পানিগুলোতে অভিযান চালিয়ে পাওয়া তথ্য-প্রমাণ থেকে দেখা যায়, ২০২০ ও ২০২১ সালে পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদিত মোট পরিমাণের প্রায় ৫০ শতাংশই এই ছয়টি কোম্পানি নিয়ন্ত্রণ করত।

কমিশনের ভাষ্য, কোম্পানিগুলো পেঁয়াজ আমদানি, হিমাগারে সংরক্ষণ এবং পাইকারি বিতরণের ক্ষেত্রে একটি ‘অবৈধ বাজার বণ্টন ব্যবস্থা’ গড়ে তুলেছিল।

পিসিসি আরও জানায়, এই বড় অঙ্কের জরিমানা অর্থনীতির সব খাতে সিন্ডিকেটগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনার এবং প্রতিযোগিতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ভোক্তাদের রক্ষা করার অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।

কমিশন জানিয়েছে, দোষী সাব্যস্ত এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে বিচার বিভাগ ফৌজদারি মামলাও দায়ের করতে পারে। 

সূত্র: বিবিসি

কিউএনবি/অনিমা/১৬ অক্টোবর ২০২৬,/রাত ৯:১৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit