আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা কিছু বিশেষায়িত ওষুধ ও ওষুধ তৈরির উপাদানে শুল্কছাড় দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিরল ও জটিল রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত নির্দিষ্ট ওষুধের ক্ষেত্রে এই শুল্কছাড় প্রযোজ্য হবে। বাংলাদেশসহ মোট ২০টি দেশের জন্য এ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ছাড়াও শূন্য শুল্ক হারের তালিকায় থাকা অন্যান্য দেশগুলো হলো- ভারত, আর্জেন্টিনা, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, গুয়াতেমালা, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, জর্ডান, মালয়েশিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড, লিশটেনস্টাইন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, ব্রিটেন এবং ভিয়েতনাম।
শূন্য শুল্কের আওতায় রয়েছে বিরল রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ। এ ছাড়া বন্ধ্যত্বের চিকিৎসার ওষুধ, কোষভিত্তিক থেরাপি এবং জিন থেরাপিও এ তালিকায় রয়েছে।
এচাড়া অ্যান্টিবডি-ড্রাগ কনজুগেট বা এডিসি এবং প্রাণীর চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধও এ সুবিধা পাবে। এসব ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদানও শূন্য শুল্কের আওতায় থাকবে।
মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের নোটিশে বলা হয়েছে, এসব দেশের যোগ্য পণ্য শূন্য শতাংশ শুল্কের সুবিধা পেতে পারে। এর কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এসব দেশের বর্তমান বা আসন্ন বাণিজ্য ও নিরাপত্তা কাঠামো চুক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
নোটিশ অনুযায়ী, জেনেরিক ওষুধ এবং এসব ওষুধের সংশ্লিষ্ট উপাদান সেকশন ২৩২-এর ওষুধবিষয়ক শুল্কের আওতায় পড়বে না।
ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যের সংজ্ঞা সংশোধন করে পেটেন্টবিহীন প্রাণীর চিকিৎসার পণ্যও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া ‘ফার্মাসিউটিক্যাল আর্টিকেল’ বলতে কোন পণ্য বোঝাবে, সেটিও স্পষ্ট করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রস্তুত ওষুধ, এসব ওষুধের সক্রিয় উপাদান এবং ওই সক্রিয় উপাদান তৈরির গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক উপাদান।
বাণিজ্য সম্প্রসারণ আইনের ২৩২ ধারা অনুযায়ী ওষুধ এবং ওষুধের কাঁচামালের আমদানি সমন্বয়ের জন্য ট্রাম্পের এপ্রিল মাসের ঘোষণার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই ছাড়গুলো দেওয়া হয়েছে। এই ঘোষণাপত্রে নির্দিষ্ট পেটেন্টকৃত ঔষধ ও কাঁচামালের ওপর শতভাগ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এ শুল্ক ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা।
কিউএনবি/অনিমা/২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬,/সকাল ১০:৪৯