সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন

উলিপুরে বিচারাধীন জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১১ Time View

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের উলিপুরে বিচারাধীন একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে অবৈধভাবে টিনশেড স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মান্নান সরকারের লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় তদন্তের নির্দেশ দিলেও নির্ধারিত সময় অতিক্রমের পরও দৃশ্যমান কোনো প্রতিকার না মেলায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে অভিযোগকারী দাবি করেছেন, তদন্তের নির্দেশ জারির পর সংশ্লিষ্টরা নির্মিত পাঠাগারের নাম পরিবর্তন করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার হাতিয়া হাতিয়া ইউনিয়নের হিজলী মৌজায়।

অভিযোগে উল্লেখ করেন, উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের হিজলী মৌজার সি.এস. খতিয়ান নং-৭০৩ ও দাগ নং-৮৩৮-এর জমি তার ব্যক্তি মালিকানাধীন। জমিটির রেকর্ড সংশোধন ও স্বত্ব ঘোষণা সংক্রান্ত একটি দেওয়ানি মামলা বর্তমানে বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় নতুন অনন্তপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেন এবং নতুন অনন্তপুর বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক রাশেদ আলী তাদের পদমর্যাদা ও প্রভাব ব্যবহার করে ওই জমিতে “কাজিম উদ্দিন পাঠাগার” নামে একটি টিনশেড স্থাপনা নির্মাণ করেছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

সরকারি স্মারকে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ প্রদান করে। একই সঙ্গে সাত (৭) কার্যদিবসের মধ্যে বিধি মোতাবেক তদন্ত সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়কে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। অভিযোগকারী মো. আব্দুল মান্নান সরকার বলেন, তদন্তের নির্দেশের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থাপনাটির নাম পরিবর্তন করা হয়। তার দাবি, আগে “কাজিম উদ্দিন পাঠাগার” নামে পরিচিত স্থাপনাটি বর্তমানে “নতুন অনন্তপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঠাগার” নামে ব্যবহার করা হচ্ছে।

তার ভাষ্য, তদন্তকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা এবং স্থাপনাটির পূর্ব পরিচয় আড়াল করার উদ্দেশ্যেই এই নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তদন্তের নির্দেশের পর পাঠাগারের নাম পরিবর্তনের বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে তদন্ত চলমান থাকায় তারা প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন। অভিযোগকারী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মান্নান সরকার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আইনগত ও প্রশাসনিকভাবে প্রতিকার চেয়ে আসছি।

জেলা প্রশাসক, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করার পর তদন্তের নির্দেশ জারি হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর প্রতিকার পাইনি। তিনি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, অবৈধ স্থাপনা অপসারণ পূর্বক দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি। এ বিষয়ে নতুন অনন্তপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি সমাধান হয়েছে। আমরা যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করেছি।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,/বিকাল ৩:০৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit