মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
‘ইশ! যদি সত্যিই জাদুকর হতাম!’ — যে আফসোস নিয়ে বিদায় বললেন মেসি সিন্ধু নদীর পানি চুক্তি বাতিল করা যাবে না: আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে স্বস্তিতে পাকিস্তান ‘পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না’ প্রকাশ্যে থুতু ফেললে ১০০, প্রস্রাবে ২০০ জরিমানা হামে শিশু মৃত্যু: ইউনূসসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণে রুল হরমুজে সৌদি আরবের তেলবাহী দুই জাহাজে হামলা চৌগাছায় বিএনপি’র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে  র‍্যালী ও  আলোচনা সভা ৬ দিনে ১০০টিরও বেশি উদ্ধার অভিযান চালিয়েছেন নেপালের এই নারী পাইলট হরমুজে দুই সুপারট্যাংকারে হামলা, ফের ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের বাজার বনবিভাগ গাছ না কাটাতে চৌগাছায় ৩৩ কেভি লাইনের নির্মাণ কাজ বন্ধ

মূল্যস্ফীতি ও যুদ্ধের যাঁতাকলে দিশেহারা ইরানের তরুণেরা

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৬ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুদ্ধ শুরুর ছয় মাস পর তীব্র অর্থনৈতিক সংকট আর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে স্বজনদের খোঁজার এক অবর্ণনীয় যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ইরানিরা। একদিকে মার্কিন-ইসরায়েলি জোটের হামলার ধ্বংসলীলা, অন্যদিকে আকাশছোঁয়া মূল্যস্ফীতি—সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষের জীবনে নেমে এসেছে এক চরম স্থবিরতা ও হতাশা।

তেহরানের কেন্দ্রস্থলে একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে ডেটা অ্যানালিস্ট হিসেবে কাজ করেন ৩৩ বছর বয়সী বিজন। আল জাজিরাকে তিনি জানান, তিন বছর আগেও তার মাসিক বেতন ছিল এক হাজার ডলারের বেশি। কিন্তু মূল্যস্ফীতি তার আয়ের বড় অংশই কেড়ে নিয়েছে। তিনি বলেন, তিনবার বেতন বাড়ার পরও আমার বর্তমান বেতন ৫০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। পরিস্থিতি দিন দিন এতটাই খারাপ হচ্ছে যে, এক দশক আগে স্নাতক শেষ করেই দেশ না ছাড়ার জন্য এখন আক্ষেপ করেন এই তরুণ।

রাজধানীর আরেক তরুণ সাসানের কণ্ঠেও একই হতাশার সুর। তার মতে, যখনই বাইরের আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ে, তখনই দেশের ভেতরে কর্তৃপক্ষ নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করে। সাসান বলেন, মাঝেমধ্যে আমি চরম হতাশার যন্ত্রণা অনুভব করি। সবসময় চেষ্টা করে যাচ্ছি, অথচ দেখছি সবকিছুই আমার বিরুদ্ধে যাচ্ছে। নিজের ভবিষ্যৎ এখন আর নিজের হাতে নেই।

তরুণদের এই অর্থনৈতিক ও মানসিক পঙ্গু দশার পাশাপাশি দেশটিতে চলছে মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে অন্তত ৭ হাজার ২৫০ জনকে উদ্ধার করেছে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট।

সংস্থাটির ইরানি শাখার প্রধান পীরহোসেন কোলিভান্দ জানান, বিমান হামলার মতো চরম বৈরী ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও উদ্ধারকারীদের কাজ করতে হচ্ছে। তবে এই যুদ্ধাপরাধ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় রেড ক্রিসেন্ট নীরব থাকবে না। মানবিক অবকাঠামোর ওপর হওয়া হামলার প্রমাণ এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক আইনি সংস্থাগুলোতে পাঠানো হয়েছে এবং এর বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

কিউএনবি/অনিমা/৩১ অগাস্ট ২০২৬,/সকাল ১০:৩৯

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit