শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মির্জা ফখরুলের জন্য ভোট চাইলেন তারেক রহমান ডিসেম্বর থেকে আওয়ামী লীগসহ নামবে জামায়াত: রাশেদ ৮৯ বছর বয়সে মারা গেছেন নরওয়ের রাজা হারাল্ড যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার অস্ত্র চুক্তির সিদ্ধান্ত, কড়া হুঁশিয়ারি কিমের হাসিনাকে ঘিরে টানাপোড়েন, তবুও কেন তারেক রহমানকে দিল্লিতে নিতে আগ্রহী ভারত তিব্বত সীমান্তে বাঁধে ভাঙন নতুন করে বন্যার শঙ্কায় নেপালে সতর্কতা জারি ‘পিংক বাসে’ উঠে যে অভিজ্ঞতার কথা জানালেন পিয়া জান্নাতুল নতুন জুটি ও সিক্যুয়েল নিয়ে ফিরছেন ইয়ুমনা জায়েদি সিলেট বিভাগ জুড়ে ভয়াবহ বিস্তারের রূপ নিয়েছের মাদক, অভিযান অব্যাহত গবেষণাক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য ঢাবি’র ৬২ জন গবেষককে সম্মাননা প্রদান

স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফিরছে মালয়েশিয়ায় থাকা ৫ হাজার রোহিঙ্গা

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৩ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসন কর্মসূচির প্রথম ধাপ চূড়ান্ত করেছে মালয়েশিয়া। এর অংশ হিসেবে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর এক হাজার ৫০০ রোহিঙ্গা নিজ দেশে ফিরবেন। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে কুয়ালালামপুর।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জুলাইয়ে জানিয়েছিলেন, দেশটির স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় মিয়ানমারের সামরিক সরকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ৫ হাজার সদস্যকে ফেরত নিতে সম্মত হয়েছে।

মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় মিয়ানমারের দুটি নৌযুদ্ধজাহাজ এবং একটি হাসপাতাল জাহাজ ব্যবহার করা হবে।’ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রধানত রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ৪ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে শরণার্থী নিবন্ধন নথি (ডিপিপি) কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। আর মিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ৫ হাজার মানুষ স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাবেন।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আগস্টের মাঝামাঝি মালয়েশিয়ার অভিবাসন আটককেন্দ্রগুলোতে ১০ হাজার ৩৮৮ জন মিয়ানমারের নাগরিক আটক ছিলেন। তবে তাদের সবাইকে শরণার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয় না। আটক ব্যক্তিদের পরিচয়, নাগরিকত্ব, অভিবাসন অবস্থা, আশ্রয় আবেদন এবং নিরাপত্তাগত পটভূমি যাচাই করতে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ পুলিশের সঙ্গে কাজ করছে। এই যাচাইয়ের কাজ বছরের শেষ নাগাদ শেষ হওয়ার কথা।

এর আগে চলতি মাসের শুরুতে মালয়েশিয়া সরকার জানিয়েছিল, প্রত্যাবাসনের পর শরণার্থীদের জীবন ঝুঁকিতে পড়লে তাদের ফেরত পাঠানো হবে না। মালয়েশিয়ার যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল বলেন, ‘মালয়েশিয়া একটি দায়িত্বশীল দেশ হিসেবে ৫ হাজার মিয়ানমার শরণার্থীকে ফেরত পাঠাবে না, যদি তারা নির্যাতনের শিকার হন অথবা তাদের জীবন হুমকির মুখে পড়ে।’

তবে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, বর্তমানে মিয়ানমারে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি নেই। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী এখনও যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ করে চলেছে।

নিজ দেশে নির্যাতনের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য মালয়েশিয়া দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত। যদিও দেশটি ১৯৫১ সালের জাতিসংঘের শরণার্থী কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী নয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে শরণার্থীর মর্যাদাও স্বীকৃতি দেয় না। তারপরও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বড় শরণার্থী জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়েছে মালয়েশিয়া।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৮ অগাস্ট ২০২৬,/দুপুর ২:৫৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit