মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চেয়ার বা সোফার পেছনে জাতীয় পতাকা ব্যবহার বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ ইনস্টাগ্রামের এক মেসেজে বদলে গেল রুক্মিণীর ভাগ্য অভিবাসন ব্যবস্থাপনা সুসংহত করতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের আহ্বান সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন নামঞ্জুর নজরুলকে জাতীয় কবির স্বীকৃতি দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান : রিজভী দরিদ্র হাজং পরিবারকে নতুন ঘর দিলেন : ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ফুলবাড়ীতে নিজ পুকুরের মাছ জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যায় প্রতিপক্ষরা॥ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭ আগস্টের অনার্স প্রথম বর্ষের পরীক্ষা স্থগিত ঘরে ফেরার আকুতি: বিশ্বের কাছে ১০ মিনিট সময় চায় লাখো রোহিঙ্গা সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা

হাসিনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ-ভারত অস্থিরতা, অচলায়তন ভাঙবে কীভাবে?

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৮ Time View

ডেস্ক নিউজ : বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফরকে কেন্দ্র করে যখন দুদেশের মধ্যে নতুন সম্পর্ক গড়ার প্রস্তুতি চলছিল, ঠিক তখনই ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্যে পুরো প্রক্রিয়ায় নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। 

ভারতে থাকা শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে নিজের সরকারের পতন ও গণঅভ্যুত্থানের সমালোচনা করেন। ভারতের মাটিতে বসে সরাসরি এমন বক্তব্য দেওয়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় ঢাকা। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভারতের উচিত শেখ হাসিনাকে কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য প্রচার বা অভ্যন্তরীণ বিষয়ে উসকানি দেওয়ার সুযোগ না দেওয়া। ফলে দুদেশের সুসম্পর্ক ফেরানোর এই আলোচনা বর্তমানে কিছুটা থমকে গেছে।

আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই মুহূর্তের কূটনৈতিক জট ছড়ানোর মূল চাবিকাঠি হলো ভারতের ভূখণ্ড থেকে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পুরোপুরি বন্ধ রাখা। শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়া বা প্রত্যর্পণ একটি দীর্ঘ ও জটিল আইনি প্রক্রিয়া হলেও, তার রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ন্ত্রণ করা সম্পূর্ণ ভারতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে। নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে যদি এ বিষয়ে ইতিবাচক বার্তা দেওয়া হয়, তবে দুদেশের মধ্যে আস্থার পরিবেশ আবার ফিরে আসতে পারে।

বাংলাদেশের তরফ থেকেও বলা হয়েছে, একটি উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হলেই কেবল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফর বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। তবে কূটনৈতিক এই ঠান্ডা লড়াই সত্ত্বেও বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক অর্থনৈতিক এবং ভৌগোলিক নির্ভরতা কমার সুযোগ নেই। চার হাজার কিলোমিটারের বেশি দীর্ঘ যৌথ সীমান্ত থাকা দুদেশের মধ্যে বছরে ১২ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বাণিজ্য রয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ চীন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়ালেও দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্বের জন্য ভারত ও বাংলাদেশ উভয় পক্ষের জন্যই এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি। তাই রাজনৈতিক মান-অভিমান বজায় থাকলেও, জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা করে দুদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের এই বৈঠক শেষ পর্যন্ত অনিবার্য বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৫ অগাস্ট ২০২৬,/সন্ধ্যা ৬:৫৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit