মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জামায়াতের এমপির ভিডিও ভাইরাল, ষড়যন্ত্রের দাবি করে ফেসবুকে পোস্ট মামলাজট নিরসনে মধ্যস্থতা কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক ফল দিচ্ছে: আইনমন্ত্রী সাবেক রূপালী ব্যাংক ব্যবস্থাপকের ২৫ বছরের কারাদণ্ড মেসিকে নিয়ে আবেগঘন মন্তব্য কুবার্সির তিস্তা ও ধরলার পানি বৃদ্ধি, লালমনিরহাটে স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা, ব্যারাজের সব গেট উন্মুক্ত ডোমারে মাদার ডেন্টাল কেয়ার এর শুভ উদ্বোধন জামায়াতের এমপির ভাইরাল ভিডিও নিয়ে এবার মুখ খুললেন সেই তরুণী ও তার বাবা ফরিদপুরে ইজিবাইকচালক হত্যায় দুইজনের যাবজ্জীবন ডোমার থানার বিশেষ অভিযানে মাদক মামলার ১০ জন আসামী গ্রেফতার পার্বতীপুরে মা মেয়ের আত্মহত্যার নতুন মোড়, হত্যা সন্দেহে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন  

আলোচনা-সমালোচনায় ঘেরা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
  • ২২ Time View

স্পোর্টস ডেস্ক : ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ হবে মানবজাতির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আয়োজন। তিনি যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপকে এক মাসে অনুষ্ঠিত ১০৪টি সুপার বোলের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন।

এটি ছিল অত্যন্ত সাহসী দাবি। কিন্তু বাস্তবে কি সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে? প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে ৪৮টি দল। কুরাসাও, কেপ ভার্দে, জর্ডান ও উজবেকিস্তানের মতো দেশ প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলেছে। তবে এতে কি টুর্নামেন্টের মান কমে গেছে?

এছাড়া ছিল বাধ্যতামূলক তিন মিনিটের হাইড্রেশন বিরতি, আবহাওয়া যেমনই হোক না কেন। এতে সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বিজ্ঞাপন দেখিয়ে অতিরিক্ত আয় করার সুযোগ পেয়েছে।

অত্যধিক টিকিটমূল্যও ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়। কিন্তু এতে কি দর্শকদের উপস্থিতি কমেছে?

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ভিসা জটিলতা ও ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ফ্লোরিয়ান বালোগুনের লাল কার্ড বাতিলের জন্য হস্তক্ষেপ করেন।

এদিকে ফিফার প্রধান রেফারি পিয়েরলুইজি কোলিনা সময় নষ্টের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন এবং ফুটবলের বিভিন্ন নিয়মে পরিবর্তন আনেন। কিন্তু এসব পরিবর্তন কি সত্যিই কার্যকর হয়েছে?

চলুন বিষয়গুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক-

বিশ্বকাপ ৪৮ দলে সম্প্রসারণ কি সত্যিই সার্থক ছিল?

নতুন দলগুলোর অংশগ্রহণের কারণে গ্রুপ পর্বে ছিল নানা চমক ও রঙিন গল্প। বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণই হলো নতুন দলগুলোর অভিষেক দেখা। আর সেই দিক থেকে কেপ ভার্দে ছিল অন্যতম বড় চমক।

মাত্র ৫ লাখ ৩০ হাজার জনসংখ্যার আটলান্টিক মহাসাগরের ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে স্পেন, উরুগুয়ে ও সৌদি আরবের বিপক্ষে ড্র করে নিজেদের গ্রুপে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে।

অন্যদিকে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে হারের পরও কুরাসাও ইকুয়েডরের বিপক্ষে চমকপ্রদ ড্র করে। কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রও পর্তুগালের বিপক্ষে ড্র করে নকআউট পর্বে উঠে যায়।

এই গল্পগুলো না থাকলে গ্রুপ পর্ব অনেকটাই একঘেয়ে হয়ে যেত, কারণ শক্তিশালী দলগুলো তুলনামূলক সহজেই নিজেদের কাজ সেরে নিয়েছে।

মোট ৭২টি ম্যাচ খেলার পরও মাত্র ১৬টি দল বিদায় নেয়—যা আগে পুরো একটি বিশ্বকাপেই মোট ম্যাচের সংখ্যার সমান ছিল।

এর সঙ্গে ফিফার নতুন নিয়মও সমালোচিত হয়েছে, যেখানে গোল ব্যবধানের আগে হেড-টু-হেড ফলাফলকে টাইব্রেকার হিসেবে ধরা হয়।

আটটি তৃতীয় স্থানধারী দল নকআউটে ওঠার সুযোগ পাওয়ায় অস্ট্রেলিয়া ও প্যারাগুয়ে, কিংবা অস্ট্রিয়া ও আলজেরিয়া জানত যে ড্র করলেই উভয় দল পরবর্তী পর্বে যাবে। শেষ পর্যন্ত সেটাই হয়েছে।

এরপর নকআউট পর্ব থেকেই প্রকৃত নাটকীয়তা শুরু হয়। কেপ ভার্দে অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে কঠিন লড়াইয়ে আটকে রাখে, যদিও শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলে হেরে যায়।

ফলে তারা দুই বিশ্বকাপ ফাইনালিস্টের (আর্জেন্টিনা ও স্পেন) বিপক্ষেই নির্ধারিত ৯০ মিনিটে অপরাজিত থাকার কৃতিত্ব অর্জন করে।

বিশ্বকাপ সম্প্রসারণ না হলে কেপ ভার্দে এই আসরে খেলতেই পারত না। আর ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনিয়া, যিনি কেপ ভার্দের ঐতিহাসিক অভিষেকে বড় ভূমিকা রেখেছেন, তার গল্পও বিশ্ববাসীর সামনে আসত না।

হাইড্রেশন বিরতি

ফিফার দাবি ছিল, খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই হাইড্রেশন বিরতি চালু করা হয়েছে। ক্রীড়ার ন্যায্যতা বজায় রাখতে প্রতিটি ম্যাচেই সমানভাবে এই বিরতি দিতে হবে। এমনকি আটলান্টা, ডালাস, হিউস্টন ও ভ্যাঙ্কুভারের মতো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এয়ার-কন্ডিশন্ড) স্টেডিয়ামেও এই নিয়ম কার্যকর ছিল।

যুক্তরাজ্যের বাইরে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল এই বিরতির সময় বিজ্ঞাপন প্রচার করে। রেফারি বাঁশি বাজানোর ২০ সেকেন্ড পর বিজ্ঞাপন শুরু করা যেত এবং খেলা পুনরায় শুরু হওয়ার অন্তত ৩০ সেকেন্ড আগে তা শেষ করতে হতো।

টুর্নামেন্ট যত এগিয়েছে, এই বিরতিগুলো নিয়ে দর্শকদের অসন্তোষও তত বেড়েছে। বারবার খেলা থেমে যাওয়ায় গ্যালারি থেকে জোরালো দুয়োধ্বনি শোনা গেছে।

বিবিসি স্পোর্টকে বিশেষজ্ঞরা জানান, যুক্তরাষ্ট্রে ফক্স স্পোর্টসে বিশ্বকাপের একটি ৩০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপনের গড় মূল্য ছিল ২ লাখ থেকে ৩ লাখ মার্কিন ডলার। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাচ ও নকআউট পর্বে এর দাম বেড়ে ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত পৌঁছায়।

বাস্তবে এই বিরতিগুলো কার্যত ট্যাকটিক্যাল টাইম-আউট হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। কোচরা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে খেলোয়াড়দের কৌশলগত নির্দেশনা দিয়েছেন। ফলে বেশ কয়েকটি ম্যাচের গতিপথও বদলে গেছে।

অন্য লিগেও কি এই বিরতি চালু হতে পারে?

উয়েফা ইতোমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, তারা এই নিয়ম চালু করবে না। ইউরোপের শীর্ষস্থানীয় লিগগুলোতেও এটি গ্রহণ করা হবে—এমন সম্ভাবনা খুবই কম। তবে আগামী বিশ্বকাপে আবারও এই হাইড্রেশন বিরতি দেখা গেলে তা মোটেও অবাক হওয়ার মতো হবে না।

কোলিনার সময় বাঁচানোর নতুন নিয়ম কি সফল হয়েছে?

এই বিশ্বকাপে ফিফার প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়েরলুইজি কোলিনার প্রধান লক্ষ্য ছিল খেলার গতি বাড়ানো। তিনি রেফারিদের নির্দেশ দেন, থ্রো-ইন, গোল-কিক ও বদলির সময় যেন খেলোয়াড়রা দ্রুত কাজ শেষ করেন। পাশাপাশি অযথা সময় নষ্ট করতে মিথ্যা চোটের অভিনয়ও কঠোরভাবে দমন করার চেষ্টা করা হয়।

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে প্রায় প্রতিটি বিলম্বের জন্য অতিরিক্ত সময় যোগ করা হয়েছিল। ফলে একটি ম্যাচের গড় দৈর্ঘ্য দাঁড়িয়েছিল ১০১ মিনিট ২২ সেকেন্ড, যেখানে বল মাঠে ছিল গড়ে ৫৮ মিনিট ৩ সেকেন্ড।

এবারের বিশ্বকাপে হাইড্রেশন বিরতির সময় বাদ দিলে একটি ম্যাচের গড় দৈর্ঘ্য ৯৬ মিনিট ২৪ সেকেন্ড, আর বল মাঠে ছিল গড়ে ৫৮ মিনিট ১৫ সেকেন্ড।

অর্থাৎ, খেলার সময় কিছুটা বেড়েছে, কিন্তু সেই সময় অর্জনের জন্য ম্যাচের মোট দৈর্ঘ্য অনেক কম লেগেছে। ২০২২ সালে ম্যাচের মোট সময়ের ৫৭.৪ শতাংশ বল খেলায় ছিল। এবার সেই হার বেড়ে ৬০.৪ শতাংশে পৌঁছেছে।

এই পরিবর্তনকে দুই দিক থেকেই সফল বলা যায়। খেলার গতি আগের তুলনায় আরও স্বাভাবিক হয়েছে, খেলোয়াড়দের সময় নষ্ট করার প্রবণতা কমেছে, দর্শকদের বিরক্তিও কমেছে এবং তারা আরও বেশি সময় ধরে প্রকৃত ফুটবল উপভোগ করতে পেরেছেন।

এখন দেখার বিষয়, আগামী মৌসুমে বিভিন্ন দেশের ঘরোয়া ফুটবলেও এই নিয়ম কতটা কার্যকর হয়, কারণ নতুন আইনগুলো সেখানেও প্রয়োগ করা হবে।

দর্শক উপস্থিতি নিয়ে ইনফান্তিনোর সাহসী দাবি

টিকিটের অত্যধিক মূল্য নিয়ে ধারণা ছিল, বিশ্বকাপের অনেক ম্যাচেই গ্যালারির বড় অংশ খালি থাকবে। কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি।

কোয়ার্টার-ফাইনালের পর ফিফা জানায়, স্টেডিয়ামগুলো গড়ে ৯৯.৭ শতাংশ আসন পূর্ণ ছিল এবং মোট ৬৫ লাখ ২৭ হাজার ৪১০ দর্শক মাঠে বসে ম্যাচ উপভোগ করেছেন, যা বিশ্বকাপের নতুন রেকর্ড। অর্থাৎ, ফিফার নির্ধারিত উচ্চমূল্যের টিকিট কিনতেও দর্শকরা আগ্রহ দেখিয়েছেন।

এর পাশাপাশি ফিফা তাদের সেকেন্ডারি রিসেল প্ল্যাটফর্ম থেকেও বিপুল অর্থ আয় করেছে। সেখানে প্রতিটি টিকিট পুনর্বিক্রির ওপর অতিরিক্ত ৩০ শতাংশ ফি নেওয়া হয়েছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে কোনো বিতর্ক ছিল না।

টিকিটের মূল্য, বিক্রয়পদ্ধতি এবং আসনের অবস্থান সম্পর্কে দেওয়া তথ্যের যথার্থতা নিয়ে তদন্তের অংশ হিসেবে নিউইয়র্ক ও নিউ জার্সির অ্যাটর্নি জেনারেলরা ফিফাকে সমন পাঠান।

প্রথমদিকে দর্শকদের স্টেডিয়ামে পানির বোতল নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু তীব্র সমালোচনার মুখে ফিফা সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। এছাড়া নিউ জার্সি ও বোস্টনে ম্যাচ দেখতে যাওয়ার যাতায়াত খরচও অত্যন্ত বেশি ছিল। ব্যাপক সমালোচনার পর সেই ভাড়াও কমাতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্বকাপের রাজনীতিকরণ

২০২৬ সালের বিশ্বকাপ শুরু থেকেই রাজনৈতিক বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন-সংক্রান্ত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে কয়েকটি দেশের সমর্থকই দেশটিতে প্রবেশ করতে পারেননি।

টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই নতুন বিতর্ক তৈরি হয়, যখন সোমালিয়ার রেফারি ওমর আরতানকে মিয়ামি বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

এর ফলে ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোকে এক অস্বস্তিকর সংবাদ সম্মেলনের মুখোমুখি হতে হয়। সেখানে তিনি সবাইকে ‘শান্ত থাকুন, আরাম করুন’ বলে মন্তব্য করেন।

ইরানও পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে নানা বাধার মুখে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার তাদের প্রতিটি ম্যাচের জন্য মাত্র ২৪ ঘণ্টার জন্য দেশটিতে অবস্থানের অনুমতি দেয়।

যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি প্রধান মার্কওয়েন মুলিন বলেন, ইরান বিদায় নেওয়ার পর তিনি আনন্দে নেচেছেন।

সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়, যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোকে ফোন করে ফ্লোরিয়ান বালোগুনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের চেষ্টা করেন। এরপর ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আল-কামালি বিশ্বকাপের ইতিহাসে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নেন।

সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী বালোগুনের বেলজিয়ামের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে নিষিদ্ধ থাকার কথা ছিল। কিন্তু তার পরিবর্তে শাস্তি ১২ মাসের জন্য স্থগিত করা হয়।

ফলে বালোগুন বেলজিয়ামের বিপক্ষে খেলতে পারেন। তবে দুর্দান্ত খেলতে থাকা বেলজিয়াম স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রকে ৪-১ গোলে হারিয়ে দেয়। এই ঘটনা বিশ্বকাপে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়।

ভিএআর কতটা কার্যকর ছিল?

গ্রুপ পর্বে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) ব্যবস্থা বেশ কার্যকর বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু নকআউট পর্বে একাধিক সিদ্ধান্তে অসঙ্গতি দেখা দেয়।

আগের বিশ্বকাপগুলোতে ভিএআর নিয়ে খুব বেশি বিতর্ক দেখা না গেলেও এবার তা বেড়েছে। আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলে হারের পর মিশরের একটি গোল ভিএআর পর্যালোচনায় বাতিল করা হয়। এর পরই মিশর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ) তদন্তের দাবি জানায়।

এছাড়া আরও অনেক কোচ রেফারিংয়ের মান নিয়ে অভিযোগ করেন। বিশ্বকাপে ম্যাচ যত বেশি হয়, তত বেশি ভিডিও ম্যাচ অফিসিয়াল ব্যবহার করতে হয়। ফলে সিদ্ধান্তে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা আরও কঠিন হয়ে পড়ে।

এ পর্যন্ত এই বিশ্বকাপে ৩৭টি ভিএআর হস্তক্ষেপ হয়েছে, অর্থাৎ ম্যাচপ্রতি গড়ে ০.৩৬টি। যা কাতার বিশ্বকাপের ০.৩৭-এর প্রায় সমান। এটি প্রিমিয়ার লিগের ০.২৯-এর তুলনায় বেশি।

যেসব ক্ষেত্রে রেফারিকে মনিটরে গিয়ে সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করতে হয়েছে, সেখানে এই বিশ্বকাপে ম্যাচপ্রতি গড় ০.২৭টি ঘটনা ঘটেছে। প্রিমিয়ার লিগে এই হার প্রায় অর্ধেক, ০.১৫। তাহলে বিশ্বকাপে ভিএআরকে কেন তুলনামূলক ভালো মনে হয়েছে?

এর প্রধান কারণ গতি। ঘরোয়া ফুটবলে ভিএআর সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হওয়াই সবচেয়ে বড় সমস্যা। কিন্তু কয়েকটি ব্যতিক্রম ছাড়া এই বিশ্বকাপে অধিকাংশ ভিএআর সিদ্ধান্তই খুব দ্রুত নেওয়া হয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit