শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২১ পূর্বাহ্ন

প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজে অংশ নিচ্ছে না জমিয়ত

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬
  • ৪০ Time View

ডেস্ক নিউজ : যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সরকার গঠনের পর এই প্রথম যুগপৎ আন্দোলনের মিত্রদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন তারেক রহমান। তবে এ বৈঠকে অংশ নিচ্ছে না বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ মিত্র জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। 

বৈঠকে অংশ না নেওয়ার বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছে দলটির মহাসচিব মাওলানা মঞ্জরুল ইসলাম আফেন্দী। সোমবার দুপুরে যুগান্তরকে তিনি বলেন, শরিক দল হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর দাওয়াত পেয়েছি। তবে দলীয় ও রাজনৈতিক সি দ্ধান্তের কারণে আমরা আজকের বৈঠকে যাচ্ছি না। তবে ঠিক কী বিশেষ কারণে জমিয়ত বৈঠক বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি মঞ্জরুল ইসলাম আফেন্দী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমিয়তকে চারটি আসনে ছাড় দিয়েছিল বিএনপি। তবে এসব আসনের একটিতেও তারা জয়লাভ করতে পারেনি। সরকার গঠনের পর থেকে বিএনপি তাদের আগের মতো মূল্যায়ন বা গুরুত্ব দিচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছেন জমিয়ত নেতারা। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনের পর থেকে বিএনপির পক্ষ থেকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতাদের সঙ্গে তেমন কোনো যোগাযোগ করা হয়নি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জমিয়তের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, নির্বাচনের পর বিএনপির পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ রাখা হয়নি। এমনকি কুশল বিনিময় বা একটি আনুষ্ঠানিক বৈঠকও হয়নি। তার অভিযোগ, জোটের অন্য শরিকদের গুরুত্ব দেওয়া হলেও জমিয়তকে ধারাবাহিকভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশকে চারটি আসন ছেড়েছিল তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী দল। আসনগুলো হলো— নীলফামারী-১, নারায়ণগঞ্জ-৪, সিলেট-৫ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২। এর মধ্যে সিলেট-৫ (কানাইঘাট ও জকিগঞ্জ) আসনে জমিয়তের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ) আসনে সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব, নীলফামারী-১ (ডিমলা ও ডোমার) আসনে মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে দলটির জেলা সভাপতি মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী প্রার্থী হয়েছিলেন।  

তারা সবাই বিএনপির পূর্ণ সমর্থন সত্ত্বেও জয় ঘরে তুলতে ব্যর্থ হয়েছেন।

বিএনপির সূত্রগুলো বলছে, যুগপৎ আন্দোলনে থাকা মিত্র দল ও জোটের প্রতিনিধিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে তাদের ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী। সব শরিককেই ডাকা হয়েছে এই অনুষ্ঠানে। এমনকি নির্বাচনের আগে দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন, তাদেরও ডাকা হয়েছে। পরস্পরের সঙ্গে হৃদ্যতা বাড়ানোই এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য। সবার মতামত ও পরামর্শের ভিত্তিতে কীভাবে সামনে এগোনো যায়, মূলত সে ব্যাপারেই শরিকদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করবেন বিএনপির চেয়ারম্যান। 

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২০ জুলাই ২০২৬,/বিকাল ৫:৩৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit