শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ন

কাতারের দেওয়া বিমানটি আরও উন্নত করা হবে: ট্রাম্প

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬
  • ৪২ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেওয়ায় কাতারের উপহার দেওয়া ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ বিমানটি এখন আপগ্রেড বা উন্নত করার জন্য পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময়(২০ জুলাই) রবিবার নিউ জার্সিতে ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখে ফেরার পথে বিমান থেকে নামার সময় ট্রাম্পের কাছে নতুন সংস্কার করা ওই বিমানটির ক্ষেপণাস্ত্র-প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়।

জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, এটির অনেক সক্ষমতা রয়েছে, তবে আমি যতদূর জানি, মাসখানেকের মধ্যেই এটিকে সর্বোচ্চ সক্ষমতা সম্পন্ন করে তোলার জন্য পাঠানো হবে। তিনি আরও বলেন, তারা এটিকে পাঠাবে এবং এর সক্ষমতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করা হবে। এতে প্রায় এক মাস সময় লাগবে।

সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাতার-প্রদত্ত ৪০ কোটি ডলার মূল্যের নতুন বিমানটি নিয়ে উদ্বেগ সামনে আসে চলতি মাসের শুরুর দিকে। তুরস্কের ন্যাটো সম্মেলন থেকে ফেরার পথে ট্রাম্প অপ্রত্যাশিতভাবে বিমানটি ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি নতুন বিমানটিকে ইংল্যান্ডের মিলডেনহল বিমান ঘাঁটিতে আগেভাগে পাঠিয়ে দেন।

ট্রাম্প বলেছিলেন বিমান পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছিল মূলত ওই ঘাঁটিতে দায়িত্বরত মার্কিন সামরিক সদস্যদের ‘বিমানটি ঘুরে দেখার সুযোগ করে দেওয়ার’ জন্য।

সিএনএন-এর তথ্যানুসারে, যুক্তরাষ্ট্রের দুজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন নিরাপত্তা কর্মীরা প্রেসিডেন্টের ভ্রমণের জন্য অপেক্ষাকৃত পুরনো বিমানটিকেই বেশি নিরাপদ মনে করতেন। যেটি মূলত সর্বাধিনায়কের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছিল। কাতারের দেওয়া যে বিমানটিতে পরবর্তীতে নিরাপত্তা ও অন্যান্য সুবিধা সংযোজন (রেট্রোফিট) করা হয়েছিল, সেটির তুলনায় পুরনো বিমানটিকেই তারা বেশি স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও নিরাপদ বলে মনে করতেন।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নতুন বিমানটির সক্ষমতা পুরোনো বিমানটির মতো ছিল না। তবে তৃতীয় একটি সূত্র দাবি করেছে, পুরোনো বিমানটির মতোই এতে অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য বা সুবিধা বিদ্যমান ছিল। এই বিমানটির নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগের বিষয়টি এর আগে ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এ প্রকাশিত হয়েছিল।

সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারের ভেতর থেকে কারা এই নিরাপত্তা ত্রুটি-সংক্রান্ত তথ্য ফাঁস করেছে তা শনাক্ত করতে হোয়াইট হাউস একটি বড় ধরনের তদন্ত শুরু করেছিল। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত সূত্রগুলো সিএনএন-কে জানিয়েছে, তদন্তের অংশ হিসেবে কিছু কর্মকর্তাকে হোয়াইট হাউস চত্বরেই তদন্তকারীদের কাছে তাদের ফোন জমা দিতে বলা হয়েছিল।

সূত্রগুলোর মতে, তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ট্রাম্প তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করার পরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।

সূত্র: সিএনএন।

কিউএনবি/অনিমা/২০ জুলাই ২০২৬,/সন্ধ্যা ৬:৪১

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit