কুড়িগ্রামে বাড়ছে ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তার পানি নদ-নদী অববাহিকায় ফের বন্যার শঙ্কা
রাশিদুল ইসলাম রাশেদ কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ।
Update Time :
শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
২১
Time View
রাশিদুল ইসলাম রাশেদ কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : ১৭ জুলাই উজানের ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র নদ-নদীর পানি বাড়ছে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কুড়িগ্রামের কয়েকটি উপজেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার বিশেষ বন্যা পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, কুড়িগ্রাম জেলার নিম্নাঞ্চলে তিস্তা, ধরলা, দুধকুমর ও ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি পেয়ে এসব নদ-নদী অববাহিকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়ে নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা স্বল্পমেয়াদে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আবহাওয়া পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তরাঞ্চল ও উজানে আগামী কয়েকদিন মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে রংপুর বিভাগে কোথাও কোথাও ১০০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, যা নদ-নদীর পানি বৃদ্ধিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে। পাউবোর শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার তথ্য অনুযায়ী, ধরলা নদীর কুড়িগ্রাম পয়েন্টে গত ১২ ঘণ্টায় পানির স্তর ৮ সেন্টিমিটার কমে ২৪ দশমিক ৯০ মিটারে নেমেছে। দুধকুমার নদীর পাটেশ্বরী পয়েন্টে একই সময়ে পানির স্তর ১২ সেন্টিমিটার কমে ২৮ দশমিক ৫৭ মিটারে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে ব্রহ্মপুত্র নদীর চিলমারী পয়েন্টে পানির স্তর ১ সেন্টিমিটার বেড়ে ২২ দশমিক ৬৫ মিটারে পৌঁছেছে। এছাড়া তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে গত ১২ ঘণ্টায় পানির স্তর ৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে ২৮ দশমিক ৮৮ মিটারে পৌঁছেছে। এ অবস্থায় নদী তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, “নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে সাময়িক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তবে এই মহুর্তে বড় ধরণের কোন বন্যার আশঙ্কা নেই।”