মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি এখনো অনাস্থা ইরানের! নেতানিয়াহু হাঙ্গেরিতে এলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে : নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী নতুন রূপে আসছে ‘হোয়াটসঅ্যাপ প্লাস’ শেষ হচ্ছে যুদ্ধবিরতির সময়সীমা, ‘পরবর্তী পদক্ষেপ’ নিয়ে ভাবছে ইরান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বললেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা ফেলুন, নেতানিয়াহু: রসিকতা করে গ্রেফতার মার্কিন শিক্ষার্থী ইসরায়েল আমাকে ইরান যুদ্ধে প্ররোচিত করেনি: ট্রাম্প কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি ‘বিএনপি বুঝিয়ে দিল বন্যেরা বনে সুন্দর’—সংরক্ষিত আসন নিয়ে জয় সৃষ্টি নয়, স্রষ্টাই একমাত্র উপাস্য

ইরানের আটকে থাকে গোপন সম্পদের অংক ফাঁস

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২১ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশে জব্দ হয়ে থাকা ইরানের সম্পদের পরিমাণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যে এই ইস্যু আবারও সামনে এসেছে, যদিও সুনির্দিষ্ট মোট অংক নিয়ে এখনো রয়েছে ভিন্নমত।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সরাসরি আলোচনার আগে ইরান তাদের জব্দ সম্পদ ফেরতের দাবি তোলে। একইসঙ্গে যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণও দাবি করেছে দেশটি।

জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে মহাসচিবের কাছে চিঠি দিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো দেশ থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট সাড়া পাওয়া যায়নি।

ইরানের সরকারি ও আধা সরকারি সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইরানের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার মূল্যের সম্পদ জব্দ হয়ে আছে। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেন, যা ছিল সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ।

এই জব্দ সম্পদের মধ্যে রয়েছে তেলের রাজস্ব, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক সম্পদ। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এসব অর্থ আটকে আছে।

পরবর্তী সময়ে ১৯৮১ সালের আলজিয়ার্স চুক্তির আওতায় ইরান প্রায় ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার ফেরত পায়। তবে বাকি অর্থ বিভিন্ন দাবি নিষ্পত্তির জন্য রেখে দেওয়া হয়।

২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির পর ইরানের কিছু সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়। সে সময় বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী, জব্দ সম্পদের পরিমাণ ৫০ থেকে ১০০ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ছিল বলে ধারণা দেওয়া হয়। তবে এই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে গেলে আবারও নিষেধাজ্ঞা জারি হয় এবং সম্পদগুলো পুনরায় জব্দ হয়ে যায়।

পরবর্তীতে ২০২৩ সালে বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ায় আটকে থাকা প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার কাতারে স্থানান্তর করা হয়। তবে এই অর্থ ব্যবহারে কঠোর শর্ত আরোপ করা হয় এবং পরে আবারও এর প্রবেশাধিকার সীমিত করা হয়।

ইরানের কর্মকর্তারা বলছেন, জব্দ সম্পদের সঠিক মোট পরিমাণ নির্ধারণ করা কঠিন। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন হিসাব সামনে এসেছে, যা পরস্পরের সঙ্গে মিলছে না।

সাম্প্রতিক সময়ে ইরান তাদের সম্পদ ফেরত পাওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে তুলে ধরেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, এই সম্পদ ফেরত দেওয়া ছাড়া বড় কোনো অগ্রগতি সম্ভব নয়।

সূত্র: এমএসএন/আল-জাজিরা

কিউএনবি/অনিমা/১৯ এপ্রিল ২০২৬,/বিকাল ৩:৩৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit