আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের জানান, নতুন এই সহায়তা সৌদি আরবের আগের ৫ বিলিয়ন ডলারের আমানতের মেয়াদ বাড়ানোর পাশাপাশি আসছে।
সৌদি অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র রয়টার্সকে বলেন, পাকিস্তানের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য (ব্যালান্স অব পেমেন্ট) শক্তিশালী করতে ৩ বিলিয়ন ডলারের আমানত রাখতে সম্মত হয়েছে সৌদি আরব।
চলতি মাসেই পাকিস্তানকে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ৩.৫ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হবে, যা দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। মার্চের শেষ দিকে পাকিস্তানের রিজার্ভ ছিল প্রায় ১৬.৪ বিলিয়ন ডলার।
আইএমএফের ৭ বিলিয়ন ডলারের কর্মসূচির আওতায় জুনের মধ্যে রিজার্ভ ১৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে পাকিস্তান। এদিকে সৌদি অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-জাদান সম্প্রতি পাকিস্তান সফর করেছেন, যা অর্থনৈতিক সমর্থনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।পাকিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয় জানায়, এই সহায়তা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতে এবং বহিঃখাতকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
খবরে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক বন্ড বাজারেও। দীর্ঘমেয়াদি বন্ডের দর বেড়ে ফেব্রুয়ারির শেষের পর সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে। উল্লেখ্য অতীতেও অর্থনৈতিক সংকটে সৌদি আরব একাধিকবার পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে। ২০১৮ সালে ৬ বিলিয়ন ডলারের একটি সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল দেশটি।
এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে এবং সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা জোরদারেও সহযোগিতা করছে।
কিউএনবি/আয়শা/১৫ এপ্রিল ২০২৬,/বিকাল ৪:০৫