মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সেনা পাঠাবে না যুক্তরাজ্য ইরানের বিদ্যুৎ স্থাপনা-খার্গ দ্বীপ সম্পূর্ণরূপে ধ্বংসে ট্রাম্পের হুমকি সংসদে হাসনাত ভুল স্বীকারের পর যা বললেন সালাহউদ্দিন সম্প্রচার চুক্তি বাতিল, বাংলাদেশে দেখা যাবে না আইপিএল যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবীতে দুর্গাপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ আটোয়ারীতে মাসিক সমন্বয় সভা ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে মাদক দ্বন্দ্বে তরুণ খুন, গ্রেপ্তার ৮ নতুন ছবির ঘোষণা সালমানের, মুক্তি ঈদে ইরান কেন হরমুজের ওপর পূর্ণ সার্বভৌমত্ব চাচ্ছে, শুধুই কি রাজস্ব নাকি অন্য কিছু ঢাবির চারুকলা অনুষদে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি শুরু

১ হাজার পাউন্ড ইউরেনিয়ামের জন্যই কী ইরানে সেনা নামাতে চান ট্রাম্প?

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬
  • ৩২ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কর্মকর্তারা বলেছেন, ট্রাম্প এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি এবং এ ধরনের অভিযান মার্কিন সেনাদের জন্য কী ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, তা তিনি এখন খতিয়ে দেখছেন।

ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই সম্ভাব্য অভিযানটি বিবেচনা করা হচ্ছে এবং জানা গেছে যে, আলোচনার মাধ্যমে উপাদানটি হস্তান্তর করা না হলে ট্রাম্প তা শক্তি প্রয়োগ করে জব্দ করার বিষয়েও প্রস্তুত আছেন।

‘সর্বাধিনায়ককে সর্বোচ্চ বিকল্পের সুযোগ দেয়ার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করাই পেন্টাগনের কাজ।’ বলেছেন হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট।
‘এর মানে আবার এই নয় যে প্রেসিডেন্ট কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।’ তিনি আরও যোগ করেন।
 
কর্মকর্তারা বলেছেন, ইউরেনিয়াম ইসফাহান পারমাণবিক কমপ্লেক্সের একটি ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ এবং নাতাঞ্জের একটি ভান্ডারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে মজুত রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বলপূর্বক এই উপাদান জব্দ করার যেকোনো প্রচেষ্টা অত্যন্ত জটিল ও বিপজ্জনক হবে, যা সম্ভবত প্রতিশোধমূলক হামলা উস্কে দেবে এবং সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করবে।
 
এই অভিযানের জন্য সম্ভবত মার্কিন বাহিনীকে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও স্থল হামলার হুমকির মুখে ইরানের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে হবে, স্থানগুলো সুরক্ষিত করতে হবে এবং বিশেষায়িত দলগুলোকে উপাদানটি খুঁজে বের করে উত্তোলনের সুযোগ দিতে হবে। অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল জোসেফ ভোটেল বলেন, ‘এটা চটজলদি ভেতরে ঢুকে বেরিয়ে আসার মতো কোনো ব্যাপার নয়।’
 
ধারণা করা হচ্ছে, ইউরেনিয়াম ৪০ থেকে ৫০টি বিশেষায়িত কন্টেইনারে সংরক্ষণ করা থাকবে, যেগুলোকে সুরক্ষামূলক পরিবহন কাস্কে রেখে ট্রাকের মাধ্যমে স্থানান্তর করতে হবে এবং এরপর আকাশপথে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া হবে। কর্মকর্তারা বলেছেন, এই অভিযান সম্পন্ন হতে কয়েক দিন থেকে এক সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

যদি ইরান একটি সমঝোতার মাধ্যমে ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে রাজি হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র এই ধরনের অভিযান এড়াতে পারে, কারণ ওয়াশিংটন অতীতে সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে অন্যান্য দেশ থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। 

ট্রাম্প কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকেও উৎসাহিত করেছেন, যেখানে পাকিস্তান, তুরস্ক এবং মিশরের মতো মধ্যস্থতাকারীরা ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ যোগাযোগ করছে।

তবে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, ‘আমাদের হাতে বিভিন্ন বিকল্প রয়েছে এবং তিনি আরও যোগ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র চাইবে ইরান স্বেচ্ছায় এই উপাদানটি হস্তান্তর করুক।
 
সূত্র: আনাদোলু

 

কিউএনবি/আয়শা/৩০ মার্চ ২০২৬,/সন্ধ্যা ৭:৫০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit