বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
অস্ত্রোপচারের পর কেমন আছেন তানিয়া বৃষ্টি, জানালেন নিজেই যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় যুক্ত না হওয়ার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মুসলমানদের জন্য শিক্ষণীয় ওহুদের যুদ্ধ ছয় দিনের যুদ্ধে কোথায় কত মানুষ নিহত, এক নজরে পুরো হিসাব ১০ মাস ধরে তৈরি হয় বিজয় ও রাশমিকার বিয়ের অলঙ্কার দেশীয় অস্ত্রসহ একাধীক মামলার আসামী আব্দুল বারেক গ্রেফতার নওগাঁর মান্দায় শিক্ষকদের মারধরে চোরের মৃত্যুর অভিযোগ আটোয়ারীতে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও অর্থের চেক বিতরণ অতীতে বিএনপির সংসদ উপনেতা যারা ছিলেন, কারা ছিলেন আলোচনায় মাত্র ৬ মাসে কুরআনের হাফেজ ১০ বছরের সিদ্দিক

অতীতে বিএনপির সংসদ উপনেতা যারা ছিলেন, কারা ছিলেন আলোচনায়

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৩০ Time View

ডেস্ক নিউজ : জাতীয় সংসদের উপনেতা পদটি সম্মানজনক ও মন্ত্রিপদমর্যাদার। সাধারণত সরকারি দলের জ্যেষ্ঠ কোনো নেতাকে এই পদে অলংকৃত করা হয়। যেমন— আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দলের জ্যেষ্ঠ নেতা আব্দুস সামাদ আজাদ, সাজেদা চৌধুরী ও মতিয়া চৌধুরীকে উপনেতা করেছিলেন শেখ হাসিনা। বিএনপি সরকারের সময়ও দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের এই পদে আসীন করা হয়। 

১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় সংসদ উপনেতা নির্বাচিত হন অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। ২০০১ সালে বিএনপি আবার ক্ষমতায় এলে তখন প্রায় ২ মাস তিনি সংসদ উপনেতার দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে পদটি শূন্য হয়।

পরে এ পদ নিয়ে দলটির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা তৈরি হয়। তবে কেউই আর সংসদ উপনেতা হতে পারেননি। ২০০১ সালের পর বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়া ও স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য এম সাইফুর রহমানের মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকায় কেউ এ পদে বসতে পারেননি। তবে তখনকার প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পাশের সিটে বসতেন সাইফুর রহমানই।

২০০৮ সালে বিএনপি বিরোধী দলে গেলে তৎকালীন স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার ও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মধ্যে প্রতিযোগিতার কারণে কাউকেই উপনেতা করা হয়নি। ওই নির্বাচনে শুধুমাত্র সালাউদ্দিন চৌধুরী জিতেছিলেন। মওদুদ আহমেদ ও জমিরউদ্দিন সরকার খালেদা জিয়ার ছেড়ে দেওয়া আসন বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ এ উপনির্বাচন করে জয়ী হয়ে আসেন। পরে এই তিনজনের মধ্যে বিরোধী দলীয় উপনেতা হওয়ার আকাঙক্ষা দেখা যায়।

দীর্ঘ বিরতির পর এবার আবার ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। ইতোমধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও হুইপ নির্বাচন করেছে বিএনপি। দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের বৈঠকে রাষ্ট্রপতি, স্পিকার ও উপনেতার পদ চূড়ান্ত করা হবে। অভিজ্ঞতা, সিনিয়র, রাজনৈতিক কৌশল-সব মিলিয়ে রাষ্ট্র ও সংসদের এ তিন শীর্ষ পদে শেষ পর্যন্ত কারা আসছেন তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ১২ মার্চ বসবে সংসদের প্রথম অধিবেশন। এমন অবস্থায় সরকারি দলের ‘সংসদ উপনেতা’ কে হচ্ছেন-তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা আলোচনা। তবে যতটুক জানা গেছে, তা হলো-এ তালিকায় এগিয়ে আছেন বিএনপির প্রবীণ নেতারা। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ড. আব্দুল মঈন খানের নাম প্রথম দিকে রয়েছে।

তিনজনই এবার সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তবে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় তাদের জায়গা হয়নি। ফলে সংসদ উপনেতা পদে এ তিনজনের নামই সবার আগে উঠে আসছে। এছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমানের নামও শোনা যাচ্ছে। এক্ষেত্রে তাকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে সংসদ-সদস্য হতে হবে। কারণ তিনি নির্বাচিত সংসদ-সদস্য নন।

সংসদীয় রীতি অনুযায়ী, সংসদ নেতা হন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া সংসদ উপনেতা নির্বাচন করে সরকারি দল। সংসদ নেতার অনুপস্থিতিতে উপনেতাই কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন। মন্ত্রী পদমর্যাদার সংসদ উপনেতার জন্য সংসদে অফিস রয়েছে। মন্ত্রীদের মতো সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণমাধ্যমকে বলেন, বর্তমান সংবিধানে সংসদ উপনেতা নির্বাচনের বিধান নেই। তবে অতীতের সংসদ উপনেতা করার নজির রয়েছে। বিএনপির নেতাদের কারো কারো মতে, এর প্রয়োজনীয়তাও রয়েছে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৫ মার্চ ২০২৬,/রাত ৮:০৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit