প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর সরকার জানিয়েছে, গাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় ত্রাণ সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই শান্তিরক্ষী বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ইতোমধ্যে দেশটির সামরিক বাহিনী প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ শুরু করেছে এবং আন্তর্জাতিক মহলের সবুজ সংকেত পেলেই তারা মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত।
১৯ ফেব্রুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সভাপতিত্বে শান্তি বোর্ডের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে যোগদানের জন্য ওয়াশিংটনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান তিনি। ইন্দোনেশিয়ার এই উদ্যোগটি মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অফ পিস’ বা শান্তি পরিষদের পরিকল্পনার একটি অংশ।
জাকার্তা জানিয়েছে, তারা গাজায় কেবল শান্তিরক্ষী হিসেবে কাজ করবে এবং ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাদের কণ্ঠস্বর আরও জোরালো করবে। তুরস্ক ও পাকিস্তানের মতো অন্যান্য মুসলিম দেশগুলোও এ ধরনের বাহিনীতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিরসনে একটি নতুন কূটনৈতিক মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গত মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ২০ দফা গাজা শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায়ের সূচনা ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে যুদ্ধবিরতি তদারকির জন্য একটি শান্তি বোর্ড প্রতিষ্ঠা এবং ফিলিস্তিনি নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রশিক্ষণ এবং শান্তি বজায় রাখার জন্য একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী। হামাসকে নিরস্ত্রীকরণেও এই বাহিনী ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।