বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আইশোস্পিডের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে ফিফা শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে মিসরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা মেসির গোলে সমতায় আর্জেন্টিনা পেনাল্টি মিস করে বিশ্বরেকর্ড মেসির প্রথমার্ধে একাই আর্জেন্টিনাকে রুখে দিলেন শোবেইর যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র তাপপ্রবাহে তিন দিনে ৩৩ জনের মৃত্যু ফুলবাড়ীতে স্বামীর শাবলের আঘাতে স্ত্রী নিহত, স্বামী আটক॥ ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, প্রভাবশালীদের চাপে উল্টো ভুক্তভোগীর পরিবারকে হয়রানি, পুলিশ নিষ্ক্রিয় শার্শা ও বেনাপোল সীমান্তে মানব পাচার প্রতিারোধ বিষয়ে রাইটস যশোরের উদ্যেগে মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত জয়পুরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২, আহত ৫

গবেষণায় পাবলিক-প্রাইভেট বৈষম্য দূর করার আহ্বান শিক্ষা উপদেষ্টার

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৪১ Time View

ডেস্ক নিউজ : দেশের উচ্চশিক্ষায় পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে গবেষণা ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অপ্রয়োজনীয় বৈষম্য থাকা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। 

তিনি বলেন, নলেজ-বেজড ইকোনমি বা জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে গবেষণার ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী ও বৈষম্যহীন ‘রিসার্চ ইকোসিস্টেম’ গড়ে তোলা জরুরি।

আজ সোমবার বিকেলে অর্থ বিভাগের সভা কক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

‘জাতীয় ও বৈশ্বিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে গবেষণা ও উন্নয়ন শক্তিশালীকরণ: সাশ্রয়ী ও উচ্চ প্রযুক্তিগত সমাধানের ব্যবহার’ শীর্ষক এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে গবেষণা ব্যবস্থাপনায় অপ্রয়োজনীয় বৈষম্য থাকা উচিত নয়। আমরা লক্ষ্য করছি, গবেষণায় সক্রিয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনুদান পাওয়ার পর সরকারি অনুমোদন ও ক্লিয়ারেন্সের দীর্ঘসূত্রিতার কারণে সমস্যার মুখে পড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ছয় থেকে আট মাস সময় লেগে যায়, যা গবেষণার মূল উদ্দেশ্যকেই ব্যাহত করে।’

তিনি আরও বলেন, জবাবদিহিতা অবশ্যই থাকবে, তবে যেসব প্রতিষ্ঠান অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সাথে গবেষণা পরিচালনা করে, তাদের জন্য একটি ‘ফাস্ট-ট্র্যাক সিস্টেম’ বা দ্রুততর অনুমোদন ব্যবস্থা চালু করা জরুরি।

গবেষণা খাতে বরাদ্দ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ বর্তমানে জিডিপির মাত্র ০.৩ শতাংশ গবেষণায় বিনিয়োগ করছে। যা বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক মানদণ্ডের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। 

তিনি বলেন, ‘শুধু দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোই নয়, অনেক স্বল্পোন্নত দেশের চেয়েও আমাদের বিনিয়োগ কম। ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিজ্ঞান, গবেষণা এবং বিশেষায়িত ‘সেন্টার অব এক্সেলেন্স’ প্রতিষ্ঠায় বিনিয়োগ বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।’

অবকাঠামো উন্নয়নের চেয়ে মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘অবকাঠামো খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ সময়মতো ব্যয় না হওয়ায় প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ অর্থ ফেরত যাচ্ছে, যা পুনর্বিবেচনার দাবি রাখে। তিনি গবেষণার ফলাফলকে কেবল কাগুজে প্রকাশনায় সীমাবদ্ধ না রেখে তা দিয়ে বাস্তবসম্মত সমাধানের পথ খোঁজার পরামর্শ দেন।’

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. ফিরদৌসী কাদেরী, ড. আবেদ চৌধুরী এবং অধ্যাপক ড. মোবারক আহমদ খান। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, গবেষক ও শিক্ষাবিদরা উপস্থিত ছিলেন।’

 

কিউএনবি/আয়শা/২৬ জানুয়ারী ২০২৬,/রাত ১১:৪০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit