শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে দ্বিতীয় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন দক্ষিণ কোরিয়াকে বিপদে ফেলে কেন থাডগুলো মধ্যপ্রাচ্যে আনা হচ্ছে? আশুলিয়ায় মাদ্রাসায় হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের অভিনন্দন নেত্রকোনায় স্বামীর অধিকার ফিরে পেতে স্ত্রীর আদালতে দারস্থ ও সংবাদ সম্মেলন শান্তা ইসলাম,- সুখবর দিলেন হামজা চৌধুরী চৌগাছায় এক কৃষকের পিয়ারা বাগান কেটে সাবাড়  “নেত্রকোনায় পৈতৃক সম্পত্তিতে গড়ে তোলা সবজি বাগানে তাণ্ডব, হাসপাতালে ৩” সরকারের সমালোচনা করতে বিরোধী দলকে সব বিষয়ে ছাড় দেওয়া হবে- নবনিযুক্ত স্পিকার ব্যাট হাতে শক্ত অবস্থানে পাকিস্তান

‘সাবেক স্ত্রী’ বলাতে আপত্তি জানিয়ে মডেলের খোলা চিঠি

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৮ Time View

বিনোদন ডেস্ক  : ১৬ বছর বয়সে বিয়ে, যেখানে কোনোরকম সম্মতি ছিল না কনের। বরং এই বিয়ে নামক রাজকীয় আয়োজন তার জীবনে নিয়ে এসেছিল নারকীয় নির্যাতন। পরে সেখান থেকে পালিয়ে বেঁচেছিলেন ইন্দোনেশীয়-আমেরিকান মডেল মনোহারা ওডেলিয়া পিনট। 

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা এক খোলা চিঠিতে ফের সরব হলেন তিনি। জানালেন নিজের আপত্তির কথা। 

২০০৮ সালে মালয়েশিয়ার কেলান্তান রাজ্যের সুলতানের ছেলে টেংকু মুহাম্মদ ফাখরি পেত্রা যখন মনোহারাকে বিয়ে করেন, তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। সম্প্রতি দেওয়া এক বিবৃতিতে ৩৩ বছর বয়সী মনোহারা স্পষ্ট করেছেন যে, সেই সম্পর্কটি কখনোই সম্মতির ভিত্তিতে গড়ে ওঠেনি।

তিনি বলেন, আমার কৈশোরে যা ঘটেছিল তা কোনো রোমান্টিক সম্পর্ক ছিল না, তা সম্মতির ভিত্তিতে হয়নি এবং সেটি কোনো আইনি বিয়েও ছিল না। আমি কখনোই এই সম্পর্কে স্বেচ্ছায় প্রবেশ করিনি।

বিয়ের পর তাকে মালয়েশিয়ার কেলান্তান প্রাসাদে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি একপ্রকার কারাবন্দি জীবন কাটাতেন। মনোহারার অভিযোগ, তাকে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে দেওয়া হতো না এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছিল।

পরবর্তীতে তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, যৌন হেনস্তা ও শারীরিক নির্যাতন ছিল তার নিত্যদিনের ঘটনা। তিনি বলেন, যৌন নির্যাতন ছিল রুটিনের মতো। প্রতিবার যখন আমি অনিচ্ছা প্রকাশ করতাম, তখনই নির্যাতনের শিকার হতাম।

গত সোমবার (৫ জানুয়ারি) নিজের ইনস্টাগ্রাম পোস্টে মনোহারা গণমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোর (গুগল ও উইকিপিডিয়া) প্রতি একটি কড়া আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি তাকে ‘সাবেক স্ত্রী’ হিসেবে সম্বোধন করার তীব্র বিরোধিতা করেছেন।

এক্ষেত্রে তার যুক্তি হলো- ‘সাবেক স্ত্রী’ শব্দটি ব্যবহার করলে মনে হয় যে, এটি একজন প্রাপ্তবয়স্কের সম্মতির ভিত্তিতে হওয়া কোনো বৈধ সম্পর্ক ছিল। যেহেতু তিনি তখন নাবালিকা ছিলেন এবং তাকে বাধ্য করা হয়েছিল, তাই সেই বিয়ে আইনি ভিত্তি রাখে না। এ ছাড়া এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করে মূলত একজন নাবালিকার ওপর করা জবরদস্তি ও শোষণকে আড়াল করা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে একটি পারিবারিক সফরে সিঙ্গাপুরে থাকাকালীন মনোহারা অবিশ্বাস্য সাহসিকতার পরিচয় দেন। নিজের মা, স্থানীয় পুলিশ এবং মার্কিন দূতাবাসের সহায়তায় তিনি হোটেল থেকে পালিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় ফিরে যেতে সক্ষম হন। সেই পলায়নের মধ্য দিয়ে তার শারীরিক বন্দিত্ব ঘুচলেও, নাম ও পরিচয়ের ভুল ব্যবহার তাকে এখনো মানসিক পীড়া দিচ্ছে।

মনোহারা তার লেখা খোলা চিঠিতে সাংবাদিক ও সম্পাদকদের প্রতি অনুরোধ করেছেন যেন তার জীবনের এই ট্র্যাজেডিকে বর্ণনার ক্ষেত্রে ‘বিয়ে’ বা ‘সম্পর্ক’ জাতীয় শব্দ ব্যবহার করে একে স্বাভাবিক রূপ দেওয়া না হয়। তিনি মনে করেন, এটি কেবল তার একার লড়াই নয়, বরং ক্ষমতার অসম বণ্টন ও নাবালিকা নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর একটি ভাষা।

কিউএনবি/অনিমা/১১ জানুয়ারি ২০২৬,/সকাল ৭:০৯

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit