স্পোর্টস ডেস্ক : কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে অব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা ত্রুটির কারণে মেসির অনুষ্ঠানটি চরম বিশৃঙ্খলায় রূপ নেয়। গতকাল শনিবার স্টেডিয়ামে পৌঁছালে সহযোগীদের ভিড়ে মেসি ঘেরাও হয়ে পড়েন। যে কারণে গ্যালারিতে থাকা সাধারণ দর্শকরা মেসির দেখা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়।
পরিস্থিতি দেখে মেসিকেও বিভ্রান্ত মনে হচ্ছিল। সে সময় তিনি অটোগ্রাফ দিচ্ছিলেন, মাঠ প্রদক্ষিণের চেষ্টা করছিলেন ধীরগতিতে।
এক পর্যায়ে দর্শকদের প্রতিক্রিয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। স্টেডিয়ামে প্রবেশের মাত্র ২২ মিনিট পরেই তড়িঘড়ি করে মেসিকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়। দর্শকরা আরও ক্ষুব্ধ হয়ে বোতল ও চেয়ার ছুড়ে মারে। মেসির জন্য তৈরি করা শামিয়ানাও ভেঙে ফেলে। পরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য নির্ধারিত স্থানেও ভাঙচুর চালায়।
অনেক দর্শক মেসিকে না দেখতে পাওয়ার হতাশা নিয়ে বাড়ি ফেরেন। একজন দর্শক জানান, তিনি তার নিজের বিয়ে ছেড়ে মেসিকে দেখতে এসেছিলেন, কিন্তু সে আশা আর পূরণ হয়নি।
আরেক দর্শক কার্পেট ঘাড়ে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘দশ হাজার টাকা দিয়ে আমি টিকিটি কেটেছি। কিন্তু মেসির মুখও দেখতে পারিনি, শুধু নেতাদের মুখ দেখেছি। তাই এই কার্পেট বাড়ি নিয়ে যাচ্ছি প্র্যাকটিস করার জন্য।’
রবিবার কলকাতার বিশৃঙ্খলার সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে হায়দরাবাদে। মেসির সফরের দ্বিতীয় পর্বে তেলেঙ্গানার রাজধানী এক উৎসবমুখর ও সুশৃঙ্খল সন্ধ্যার সাক্ষী হতে যাচ্ছে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা চাপ তৈরি হওয়ার আগেই তা নিয়ন্ত্রণে জন্যও পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন। ভিড়ের গতিবিধি মনিটর করতে সেখানে ওয়াচটাওয়ার, ব্যারিকেড ও পাবলিক অ্যানাউন্সমেন্ট সিস্টেমও রাখা হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি
কিউএনবি/অনিমা/১৪ ডিসেম্বর ২০২৫,/বিকাল ৩:১৬