আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কারাবন্দি পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। এর মাঝেই তার তিন বোন অভিযোগ করে বলেছেন, তারা ভাইয়ের সঙ্গে কারাগারে সাক্ষাতের দাবি জানাতে গিয়ে পুলিশের হাতে ‘‘নৃশংস মারধরের’’ শিকার হয়েছেন।
পাঞ্জাব পুলিশের প্রধান উসমান আনোয়ারকে লেখা এক চিঠিতে ইমরান খানের তিন বোন বলেছেন, পুলিশ বিনা উসকানিতে ‘‘নৃশংস ও পরিকল্পিত’’ হামলা চালিয়েছে। নরীন খান বলেন, আমরা তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করেছি। আমরা রাস্তা অবরোধ করিনি, জনসাধারণের চলাচলে বাধা দিইনি। এমনকি বেআইনি কোনও কাজ করি নাই। তারপরও কারাগারের সামনের এলাকায় স্ট্রিটলাইট বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর পরপরই পাঞ্জাব পুলিশের সদস্যরা আমাদের ওপর নৃশংস ও পরিকল্পিত হামলা চালান।
পিটিআইয়ের দাবি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে একেবারে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় একক কক্ষে বন্দি করে রেখেছে সরকার। ইমরান খানের একজন আইনজীবী দেশটির সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, বই, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এমনকি আইনজীবীদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আইনজীবী খালিদ ইউসুফ চৌধুরী বলেন, এখানে জঙ্গলের শাসন চলে; যে জন্তুকে শাসন করে, কেবল তারই অধিকার আছে। অন্য কারও কোনও অধিকার নেই।
এমনকি খাইবার–পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদিকেও ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। তিনি টানা সাতবার কারাগারে গিয়ে সাক্ষাতের চেষ্টা করেছেন। প্রতিবারই কারা কর্তৃপক্ষ তাকে ফিরিয়ে দিয়েছে। দেশটির কারা কর্তৃপক্ষ একজন সেনা কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ইমরান খান।
সূত্র: এনডিটিভি।
কিউএনবি/আয়শা/২৬ নভেম্বর ২০২৫,/বিকাল ৫:০০