শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিএনপি চাইলে ২০৩১ সাল পর্যন্ত রাজপথ দখলে রাখতে পারবে : মীর শাহে আলম জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণে ওয়াকআউট করা দেশগুলোর মধ্যে ছিল বাংলাদেশও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আরব আমিরাতের উপ-প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক মার্কিন নিষেধাজ্ঞার চাপে ইরানি এয়ারলাইন নিষিদ্ধ করল আমিরাত নেতানিয়াহুর জাতিসংঘ সফরের প্রতিবাদ, নিউইয়র্কে গ্রেফতার ১০৩ ইউক্রেনের সামরিক সহায়তায় ৬.৬ বিলিয়ন ইউরো দিতে সম্মত ইইউ নারীর আপত্তিকর ছবি মুছে ফেলতে মেটাকে দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের লেজার প্রযুক্তির অস্ত্র মোতায়েন, সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য জাতিসংঘে সানগ্লাস পরে কেন বক্তব্য দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী পর্তুগালে জনসমক্ষে মুখঢাকা নিষিদ্ধ

এবারের বিজয় দিবসটি ব্যতিক্রম, তারপরও যে কারণে শঙ্কা আজহারীর

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১২৮ Time View

ডেস্ক নিউজ : এবারের বিজয় দিবসকে অন্যরকম বলে উল্লেখ করেছেন তরুণ আলেম ও জনপ্রিয় ইসলামিক আলোচক মিজানুর রহমান আজহারী। তবে ৭১ এর আলোকে ২৪ এর স্বাধীনতা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। একইসঙ্গে আগামীর বাংলাদেশকে কীভাবে গড়া হবে- তারও কিছু ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বিজয় দিবস উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে ৭১ এর স্বাধীনতা, জুলাই বিপ্লব ও আগামীর বাংলাদেশ প্রসঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। যুগান্তরের পাঠকদের জন্য তার পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘‘এবারের বিজয়-দিবসটি অন্যরকম। সত্যিই অন্যরকম অনুভূতি। কারণ, জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি যে এখনো তাজা। স্বাধীনতা ২.০ এর স্বাদ নিয়ে আমরা উদযাপন করছি— এবারের বিজয়ের দিনটি। কিন্তু আজকের এই দিনে দাঁড়িয়ে আমি খুব করে ভাবতে চাই— জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত ভাই-বোনদের ত্যাগের যথাযথ মূল্য কি আমরা দিতে পারছি? 

একাত্তরে আমরা লড়াই করেছিলাম— জালিম রেজিমের বিরুদ্ধে। অন্যায় আর বৈষম্যের বিরুদ্ধে। কিন্তু বছর না-ঘুরতেই আমাদের সেই বিজয় লুট হয়ে যায়। দেশ চলে যায় পুঁজিপতিদের পকেটে, কালচারাল এলিটদের দখলে। যার ফলাফল— ৭৪ এর ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ। যার ফলাফল— নিজ দেশে থেকেও আমরা কোণঠাসা।

এই কালচারাল এলিটরা বিগত ৫০ বছরে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে নিজেদের খায়েশমতো ফ্রেইমিং করেছে। মুক্তিযুদ্ধে যেখানে অংশই নিয়েছে এদেশের আপামর মুসলিম জনতা, সেখানে মুসলিমদেরকেই বানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের প্রতিপক্ষ। দাড়ি-টুপিকে বানিয়েছে রাজাকারের প্রতীক। কালচারাল এলিটদের এই তীব্র মেরুকরণের ফলাফল— আজকের বৈষম্য আর ফ্যাসিজম।

তাই বিজয়ের দিনে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই— জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার প্রতীক ছিল মুসলিম ভাতৃত্ববোধ। তাদের হৃদয়ে ছিল শহিদি আকাঙ্ক্ষা। মজলুম, শহিদ, আল্লাহর সাহায্য— এসব পরিভাষাই সেদিন আন্দোলনকে ট্রিগার করেছিল। মানুষকে চুম্বকের মতো টেনে এনেছিল রাজপথে। একাত্তরও এর ব্যতিক্রম কিছু ছিল না।

বিজয়ের এই দিনটা উদযাপনের। একইভাবে ভবিষ্যত-কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করবার। আমরা এমন একটা বাংলাদেশ গড়তে চাই— যেখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না। এমন একটা বাংলাদেশ, যেখানে কারো ধর্মীয় মূল্যবোধকে দমন করতে, কোনো ‘জ*ঙ্গী’ নাটক সাজানো হবে না। এমন এক বাংলাদেশ, যেখানে রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের উদ্দেশ্যে সংখ্যালঘুদের ওপর হাম*লার ছক আঁকা হবে না। যেখানে নিশ্চিত হবে সকল বিশ্বাসের স্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা। আগামীর বাংলাদেশ হবে জনতার বাংলাদেশ।’’

 

কিউএনবি/আয়শা/১৬ ডিসেম্বর ২০২৪,/বিকাল ৪:০২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit