শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আশুলিয়ায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যালয়ের উদ্বোধন আশুলিয়ায় জাতীয়তাবাদী মোটরচালক দলের এক নেতার অপ-প্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন   ইনজুরি কাটিয়ে সিলেট টেস্টে ফিরবেন বাবর, আশাবাদী সরফরাজ ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড নিয়ে সতর্ক করল বাংলাদেশ ব্যাংক রাতে ঢাকাসহ ৯ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, সতর্কসংকেত জারি যুক্তরাজ্যের নির্বাচনে মুসলিম স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়জয়কার: ১০০টিরও বেশি আসনে জয় ভারতে মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে হেফাজতের বিক্ষোভ জ্বালানি সহযোগিতায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর বাজারে রাজশাহীর আম ইন্দোনেশিয়ায় অবৈধ স্বর্ণখনিতে ধস, নিহত ৯

ইন্দোনেশিয়ার উপকূলে ডুবে যাওয়া নৌকা থেকে ১১৬ রোহিঙ্গা শরণার্থী উদ্ধার

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৮৮ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব আচেহ উপকূলে ডুবে যাওয়া নৌকা থেকে ১১৬ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে উদ্ধার করা হয়েছে। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে নারী ও শিশুরাও রয়েছে।

মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার মুসলিম রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অনেকেই প্রতিবছর বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রা করে মালয়েশিয়া বা ইন্দোনেশিয়ায় আশ্রয়ের সন্ধানে যায়। ইউএনএইচসিআরের ফয়সাল রহমান এএফপিকে জানান, পূর্ব আচেহ সরকার থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, মোট ১১৬ জন শরণার্থী উদ্ধার হয়েছেন। তারা এখনও সৈকতে অবস্থান করছেন এবং তাদের কোথায় নেওয়া হবে তা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

পূর্ব আচেহের উত্তর-পূর্ব সুমাত্রা দ্বীপের উপকূলে অর্ধেক ডুবে যাওয়া কাঠের নৌকাটি খুঁজে পাওয়া যায়। স্থানীয় জেলে সাইফুদ্দিন তাহের জানান, শনিবার সকালে নৌকাটি আচেহের জলসীমায় প্রবেশ করে। কয়েক ঘণ্টা পরে এটি প্রায় ডুবে যায়।

সাইফুদ্দিন বলেন, সব যাত্রী বেঁচে আছেন। তবে একজন অসুস্থ ছিলেন এবং তাকে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। নৌকাটি উপকূল থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরে ছিল, ফলে শরণার্থীরা সহজেই হেঁটে নিরাপদে আসতে পেরেছেন।

ইন্দোনেশিয়ায় রোহিঙ্গাদের আগমন একটি চক্রাকার প্যাটার্ন অনুসরণ করে। ঝড়ের সময় আগমন কম থাকলেও শান্ত সমুদ্রের সময় এটি আবার বেড়ে যায়। গত মাসেও দক্ষিণ আচেহ উপকূলে ১৫২ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে উদ্ধার করা হয়েছিল।

ইন্দোনেশিয়া জাতিসংঘের শরণার্থী কনভেনশনের সদস্য নয় এবং শরণার্থী গ্রহণে তারা বাধ্য নয় বলে জানিয়েছে। তারা প্রতিবেশী দেশগুলোকে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের আহ্বান জানাচ্ছে।

আচেহের জনগণের অনেকে নিজেদের অতীত সংঘাতের অভিজ্ঞতার কারণে রোহিঙ্গাদের প্রতি সহানুভূতিশীল। তবে কিছু স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, কারণ রোহিঙ্গারা স্থানীয় সম্পদ ব্যবহার করেন এবং কখনো কখনো স্থানীয়দের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন।

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে আচেহের এক কমিউনিটি হলে আশ্রিত ১০০ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে স্থানান্তর করতে শতাধিক শিক্ষার্থী সেখানে বিক্ষোভ করে এবং তাদের জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। জাতিসংঘ ইন্দোনেশিয়াকে দ্রুত শরণার্থীদের জন্য স্থায়ী ব্যবস্থা নিতে এবং তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আহ্বান জানিয়েছে।

কিউএনবি/অনিমা/৩০ নভেম্বর ২০২৪,/রাত ৯:০২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

May 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit