মালা বেকারীর শ্রমিকরা জানায়, প্রতিদিনের মত সকাল থেকেই ইমরান কাজে যোগ দিয়ে ময়দা মিক্সার করতে থাকে। অসাবধানতাবশত তার একটি হাত মেশিনে আটকে যায় এবং ধীরে ধীরে মেশিনের ভেতরে চলে যায়। এসময় ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়। বেকারির মালিক ইমদাদুল জানান, ইমরানের বাবা-মা কেউ বেঁচে নেই। দুই বোন আছে। সে ছোট বেলা থেকেই তাদের (ইমদাদুল) বেকারীতে কাজ করে। সম্পর্কে তাদের চাচা হন। তারা দুই ভাই (ইমদাদুল ও আনোয়ার) বেকারী পরিচালনা করেন। প্রতিদিনের ন্যায় সকালে ইমরান কাজে আসে এবং অসাবধানতার কারণে ময়দা মিক্সার করার মেশিনে ঢুকে যায়। এতে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
এলাকাবাসী জানায়, এই বেকারির কোন অনুমোদন নেই। অনুমোদন না নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বেকারী চালাচ্ছে। শিশু শ্রমিক দিয়েও এই বেকারী চালানোর অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। এবিষয়ে আশুলিয়া থানার এসআই (উপ-পরিদর্শক) মদন শাহা জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।