বাদল আহাম্মদ খান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের নয়াদিল গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ডিলার আব্দুর রাজ্জাক এর কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ২৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার নয়াদিল গ্রামের নিজ বাড়িতে কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়। মরহুমের পরিবারের আয়োজনে এ কুলখানিতে না না চিনি পেশার মানুষ অংশ নেন। আব্দুর রাজ্জাক ডিলারের কুলখানিতে তার পবিত্র আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
এতে অংশ নেন মোগরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম, এ, মতিন, মোগড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নান্নু মিয়া, আখাউড়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক জয়নাল আবেদিন আবদু, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ডাক্তার খোরশেদ আলম, সাংবাদিক বাদল আহাম্মদ খান, সাংবাদিক মইনুল ভূঁইয়া সহ উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ সহ মরহুমের আত্মীয়-স্বজন ও অসংখ্য গুনগ্রাহী। দোয়া অনুষ্ঠানের শুরুতে পরিবারের পক্ষ হইতে মরহুমের বড় ছেলে লন্ডন প্রবাসী সাম রাব্বি বলেন, আমার পিতা মরহুম আব্দুর রাজ্জাক ডিলারের জন্য আপনারা যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন এর জন্য পরিবারের পক্ষ হইতে আমরা কৃতজ্ঞ। আমার আব্বার জন্য আপনার দোয়া করবেন। আমার আব্বার জন্য বেহেস্ত নসিব হয়।
নয়াদিল গ্রামের এই সুখ সভায় মোগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম,এ, মতিন বলেন- সততা, নম্রতা, সরলতা, বিচক্ষণতা, আব্দুর রাজ্জাক ডিলারকে সর্বজন শ্রদ্ধেয় করে তুলেছিল। আমি মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং তার পরিবার যেন এই সুখ সইতে পারে এই দোয়া করছি। মরহুমের দ্বিতীয় ছেলে লন্ডন প্রবাসী কামরুদ্দোহা রাফিত বলেন, আমার আব্বার জন্য আপনারা সকলেই দোয়া করবেন। মরহুমের তৃতীয় ছেলে লন্ডন প্রবাসী সজীব বদরুদ্দোহা রাফিত বলেন, আমার আব্বাকে আপনারা মাফ করে দিবেন এবং আমার আব্বার জন্য মন থেকে আপনার দোয়া করবেন। এছাড়াও মরহুমের পরিবার সূত্রে জানা যায়, মরহুমের একমাত্র মেয়ে লন্ডন প্রবাসী তামান্না জাহান লিজার স্বামী রিপন আহমেদ খান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে বিজনেস এনালিস্ট পদে কর্মরত আছেন।
মরহুমের প্রথম নামাজের জানাজা লন্ডনে, দ্বিতীয় নামাজের জানাজা ঢাকায় এবং তৃতীয় নামাজের জানাজা মোগরা ইউনিয়নের নয়া দিল গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়। মৃত্যুকালে তিনি তিন ছেলে, এক মেয়ে, এক স্ত্রী রেখে যান। নামাজ শেষে তাকে গ্রামের বাড়ির নয়াদিল গ্রামের পারিবারিক খবর স্থানে দাফন করা হয়। পরিবার সূত্রে আরও জানা যায় কুলখানি অনুষ্ঠানে আনুমানিক পাঁচ হাজার লোক উপস্থিত হয়ে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাতের অংশ নেন।