বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বগি উদ্ধার, পৌনে ৭ ঘণ্টা পর উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ স্বাভাবিক ৫ আগস্ট জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন: পানিসম্পদ মন্ত্রী জেলের জালে ধরা পড়ল ৫৪ কেজির তবল মাছ বন্যায় পানিবন্দি মা ও পরিবার, কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিনেত্রী জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন কাল, সবার জন্য উন্মুক্ত ৬ আগস্ট বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিতে ‌‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে আইনানুগ ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা ফেসবুক-টিকটক ব্যবহার না করার শর্তে সন্তান ফিরে পেলেন কিশোরী মা সিল্কসিটি ট্রেন লাইনচ্যুত, ঢাকা-উত্তরবঙ্গ যোগাযোগ বন্ধ

প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলবে: ওবায়দুল কাদের

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২০ মে, ২০২৪
  • ৭৭ Time View

ডেস্ক নিউজ : সব বিষয়ে মহানবী (সা.)-এর অনুসরণ জরুরি—এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনের পাশাপাশি হাদিসেও অসংখ্য নির্দেশনা এসেছে। এখানে এ বিষয়ে কয়েকটি হাদিস বর্ণনা করা হলো—

মহানবী (সা.)-এর আনুগত্যের প্রতিদান জান্নাত। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, অস্বীকৃতি জ্ঞাপনকারী ব্যক্তি (আবা) ছাড়া আমার উম্মতের সবাই জান্নাতে প্রবেশ করবে। সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা.)! অস্বীকৃতি জ্ঞাপনকারী কে? তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আমার আনুগত্য করল সে জান্নাতে প্রবেশ করল, আর যে আমার অবাধ্যতা করল সেই ‘আবা’ বা অস্বীকৃতি জ্ঞাপনকারী।

(বুখারি, হাদিস : ৭২৮০)

রাসুলুল্লাহ (সা.) হক ও বাতিলের মানদণ্ড। হাদিস শরিফে এসেছে—যে ব্যক্তি মুহাম্মাদ (সা.)-এর আনুগত্য করল, সে আল্লাহর আনুগত্য করল। আর যে তাঁর অবাধ্যতা করল, সে আল্লাহর অবাধ্যতা করল। মুহাম্মাদ (সা.) হলেন লোকদের মধ্যে হক ও বাতিলের পার্থক্যকারী মানদণ্ড।

(বুখারি, হাদিস : ৭২৮১)

কিয়ামতের আগে হাদিস অস্বীকারকারীদের ফিতনা দেখা দেবে মর্মে হাদিসে ইঙ্গিত আছে। আবু রাফে (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, আমি তোমাদের কাউকে তার নকশাখচিত খাটে হেলান দেওয়া অবস্থায় পাব; তার কাছে যখন এমন কোনো বিষয় আসবে যে ব্যাপারে আমি (সুনির্দিষ্ট) নির্দেশনা প্রদান করেছি অথবা তা করতে আমি নিষেধ করেছি, তখন সে বলে, (এত কিছু) আমি জানি না, আমি যা কিছু আল্লাহর কিতাবে পেয়েছি তারই অনুসরণ করব। এ ছাড়া অন্য কিছু অনুসরণ করব না। (তিরমিজি, হাদিস : ২৬৬৩)

শুধু কোরআন মানা যথেষ্ট নয়।

মিকদাম বিন মাদিকারিব (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, জেনে রাখো! আমি কোরআনপ্রাপ্ত হয়েছি ও তার ন্যায় আরেকটি বস্তু। সাবধান! এমন একটি সময় আসছে, যখন বিলাসী মানুষ তার গদিতে বসে বলবে, তোমাদের জন্য এ কোরআনই যথেষ্ট। সেখানে যা হালাল পাবে, তাকেই হালাল জানবে এবং সেখানে যা হারাম পাবে, তাকেই হারাম জানবে। যদিও আল্লাহর রাসুলুল্লাহ (সা.) সেই পরিমাণই হারাম করেছেন, যেই পরিমাণ আল্লাহ হারাম করেছেন। সাবধান! তোমাদের জন্য গৃহপালিত গাধা বৈধ নয়, প্রত্যেক নখওয়ালা হিংস্র প্রাণীও নয়, অঙ্গীকারবদ্ধ কাফিরের কুড়িয়ে পাওয়া হারানো বস্তুও নয়, তবে মালিক যদি তা প্রয়োজন মনে না করে।

কেউ যদি কোনো জাতির কাছে অতিথি হিসেবে অবতরণ করে, তাহলে তাদের উচিত তার আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা। আর যদি তারা তাকে আপ্যায়ন না করে, তাহলে সে তার আতিথেয়তার মতো তাদের কাছে থেকে বদলা নেবে। (আবু দাউদ, হাদিস : ৪৬০৪)

নবীজি (সা.) তাঁর উম্মতের জন্য দুটি বস্তু রেখে গেছেন : কোরআন ও সুন্নাহ। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, আমি তোমাদের মধ্যে দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি। যত দিন তোমরা এ দুটিকে শক্ত করে আঁকড়ে ধরে থাকবে, তত দিন পথভ্রষ্ট হবে না। তা হলো আল্লাহর কিতাব ও আমার সুন্নত। হাউজে কাউসারে আমার কাছে উপস্থিত হওয়া পর্যন্ত এ দুটি কখনো পৃথক হবে না। (মুয়াত্তা মালেক, হাদিস : ৩৩৩৮)

কিউএনবি/অনিমা/২০ মে ২০২৪,/বিকাল ৩:৩৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit