আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বুধবার (১৫ মে) হুগলীতে নির্বাচনী সভায় এমনটাই ঘোষণা দেন তৃণমূল নেত্রী। লোকসভা নির্বাচনের চতুর্থ দফার ভোট শেষে সব রাজনৈতিক দলের নজর পঞ্চম দফার দিকে। ৮ রাজ্যে ৪৯ সংসদীয় আসনের ভোট নেবে নির্বাচন কমিশন। আর সেই দফার ভোটের প্রচারে ব্যস্ত প্রধান দুই রাজনৈতিক দল বিজেপি ও তৃণমূল।
বুধবার হুগলীতে নির্বাচনী সভায় দাঁড়িয়ে মমতা বলেন, ইন্ডিয়া জোটে তিনি আর নেই। তবে জোট ক্ষমতায় আসলে প্রয়োজনে বাইরে থেকে সমর্থন করবেন। পাশাপাশি বিজেপিকে কটাক্ষ করতেও ভোলেননি মমতা। অন্যদিকে নির্বাচনী সভায় মমতাকেও এক চুল ছেড়ে কথা বলেননি মোদির সরকারের সেকেন্ড ইন কমান্ড অমিত শাহ। রাজ্যে সন্ত্রাস ও দুর্নীতির পুরো দায় তৃণমূল নেত্রীর কাঁধে চাপান ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এদিকে চার দফার ভোটের পর এসেছে সিএএ প্রসঙ্গ। বিরোধীরা যখন এই নাগরিকত্ব সংশোধন আইনটি বাস্তবায়ন করতেই দেবেন না বলে হুমকি দিচ্ছে তখনই ১৪ নাগরিককে ভারতের নাগরিকত্বের সনদ তুলে দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয়কুমার ভাল্লা।
২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর পাস হয় ভারতের সিটিজেনশিপ অ্যামেনম্যান্ট অ্যাক্ট বা সিএএ। ২০১৪ সালের আগে আসা প্রতিবেশী বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান থেকে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান, জৈন শিখ সম্প্রদায় ভুক্তদের নাগরিকত্ব দেয়ার আইন এটি। যদিও ওই আইনের ল ফ্রেম না হওয়ায় কার্যকর করতে পারেনি বিজেপি সরকার। তবে চলমান নির্বাচনের তালিকা প্রকাশের একমাস আগে তারা আইন চালুর প্রজ্ঞাপন জারি করে।
কিউএনবি/আয়শা/১৬ মে ২০২৪,/বিকাল ৪:৪০