বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন

অবন্তিকার আত্মহত্যা: আম্মানকে দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৪
  • ১১৩ Time View

ডেস্ক নিউজ : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ফাইরুজ অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে শিক্ষার্থী রায়হান সিদ্দিকী আম্মানকে (আম্মান সিদ্দিকী) সাময়িক বহিষ্কারের পর দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আইনগতভাবে যতটুকু ক্ষমতা রয়েছে তার সর্বোচ্চ ব্যবহার করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন জবি উপাচার্য সাদেকা হালিম।

শনিবার (১৬ মার্চ) ভোর ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা  দপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফিরোজ আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে প্ররোচনা দানকারী শিক্ষক দ্বীন ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করার পাশাপাশি সহকারী প্রক্টরের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ফাইরুজ অবন্তিকার মৃত্যুতে উপাচার্য সাদেকা হালিম, কোষাধ্যক্ষ হুমায়ুন কবীর গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। মৃত্যুর কারণ হিসেবে তার সুইসাইড নোটে দেওয়া আইন বিভাগের সহপাঠীকে সাময়িক বহিষ্কার ও দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ এবং অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে সহায়তাকারী শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত ও প্রক্টরিয়াল বডি থেকে তাৎক্ষণিক অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

তবে গ্রেফতারের নির্দেশনার সত্যতার বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আইনুল ইসলাম বলেন, তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গ্রেফতারের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। 

প্রক্টর মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে রাতেই এ বিষয়ে তাদের যে প্রক্রিয়া আছে, সে মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। শুক্রবার (১৫ মার্চ) রাতে ফাইরুজ অবন্তিকা নামে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী কুমিল্লায় নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। তিনি আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী। মৃত্যুর আগে এক ফেসবুক পোস্টে নিজের মৃত্যুর জন্য নিজের সহপাঠী আম্মান সিদ্দিকী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলামকে দায়ী করেন। এরপরই ঘটনার বিচার চেয়ে আন্দোলনে নামেন জবি শিক্ষার্থীরা।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শুক্রবার রাত ২টার দিকে আম্মান সিদ্দিকী নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া পোস্টে লেখেন, দুই বছর আগে অবন্তিকা নিজেই ফেসবুকে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে সহপাঠীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদমূলক কথা লেখেন। পরে বিষয়টি সে নিজে স্বীকার করে নিলে প্রক্টর অফিস থেকে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়। এরপর অবন্তিকার পরিবারের পক্ষে তার বাবা এসে অঙ্গীকার নামা দেন যে, তার মেয়ে ভবিষ্যতে এমন কোনো কাজ করবে না। 

এ সংক্রান্ত জিডির কপি, কারণ দর্শানোর নোটিশ, অঙ্গীকারনামা এবং কিছু মেসেঞ্জারে আসা মেসেজের স্ক্রিনশট লেখার সঙ্গে সংযুক্ত করে দেন আম্মান।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৬ মার্চ ২০২৪,/দুপুর ১:০৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

May 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit