মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন

হুতিদের জাহাজ, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ১০৫ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : লোহিত সাগরগামী ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের মনুষ্যবিহীন তিনটি জাহাজ, দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং একটি ড্রোন লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

সোমবারের (২৬ ফেব্রুয়ারি) এ হামলার বিষয়ে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ‘ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) মনুষ্যবিহীন তিনটি জাহাজ, দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং একটি ড্রোন ধ্বংস করেছে। হুতিরা এসব ব্যবহার করে লোহিত সাগরে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।’

মার্কিন সামরিক বাহিনী আরও জানিয়েছে, আত্মরক্ষার্থে সানার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিট এবং রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে এসব হামলা চালানো হয়।

মার্কিন সামরিক বাহিনী নিশ্চিত ছিল যে, এসব অস্ত্র লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ এবং মার্কিন নৌজাহাজে হামলায় ব্যবহৃত করাই উদ্দেশ্য ছিল হুতিদের।

উল্লেখ্য, এর আগে ২৪ ফেব্রুয়ারি ইয়েমেনে হুতিদের ১৮টি লক্ষ্যবস্তুর ওপর নতুন করে হামলা চালায় মার্কিন এবং ব্রিটিশ বাহিনী।

এ প্রসঙ্গে এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে হুতিদের হামলা অব্যাহত থাকায় ইরান-সমর্থিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন নতুন করে হামলা শুরু করেছে।

যৌথ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘হামলাগুলো ইয়েমেনের আটটি স্থানে হুতির ভূগর্ভস্থ অস্ত্রের ভান্ডার, ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা, ড্রোন বিমান ব্যবস্থা, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডারসহ ১৮টি হুতি লক্ষ্যবস্তুকে টার্গেট করে চালানো হয়েছে।’

বিবৃতিটি অস্ট্রেলিয়া, বাহরাইন, ডেনমার্ক, কানাডা, নেদারল্যান্ডস এবং নিউজিল্যান্ডসহ স্বাক্ষরিত বলে জানিয়েছে রয়টার্স। এসব দেশ এই নতুন দফা হামলায় অনির্দিষ্ট সমর্থন দিয়েছে।

এই অঞ্চলে বিদ্রোহীরা জাহাজে আক্রমণ শুরু করার পর থেকে এই মাসে দ্বিতীয় এবং চতুর্থ দফা হুতিদের বিভিন্ন স্থাপনায় যৌথ হামলা চালানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে হুতিরা বাণিজ্যিক ও নৌজাহাজে ৪৫টিরও বেশি হামলা চালিয়েছে, যা বিশ্বঅর্থনীতির পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য এই হামলা হুমকিস্বরূপ।’

ব্রিটেনের সঙ্গে যৌথ অভিযান ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র আত্মরক্ষার্থে ইয়েমেনে হুতি অবস্থান এবং অস্ত্রশস্ত্রের বিরুদ্ধে বার বার একতরফা হামলা চালিয়েছে এবং লোহিত সাগরে বিমান ও সমুদ্রবাহিত ড্রোন ভূপাতিত করেছে।

পেন্টাগন প্রধান লয়েড অস্টিন হামলার পর এক পৃথক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জীবন ও বাণিজ্যের অবাধ প্রবাহ রক্ষার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিধা করবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা হুতিদের কাছে পরিষ্কার করে দেব যে, তারা যদি তাদের অযাচিত আক্রমণ বন্ধ না করে, যা মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতির ক্ষতি করে, পরিবেশের ক্ষতি করে এবং ইয়েমেন এবং অন্যান্য দেশে মানবিক সহায়তা প্রদানে ব্যাঘাত ঘটায়, তাহলে তারা এর পরিণতি ভোগ করবে। ‍

লোহিত সাগরগামী ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের মনুষ্যবিহীন তিনটি জাহাজ, দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং একটি ড্রোন লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

সোমবারের (২৬ ফেব্রুয়ারি) এ হামলার বিষয়ে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ‘ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) মনুষ্যবিহীন তিনটি জাহাজ, দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং একটি ড্রোন ধ্বংস করেছে। হুতিরা এসব ব্যবহার করে লোহিত সাগরে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।’

মার্কিন সামরিক বাহিনী আরও জানিয়েছে, আত্মরক্ষার্থে সানার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিট এবং রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে এসব হামলা চালানো হয়।

 

মার্কিন সামরিক বাহিনী নিশ্চিত ছিল যে, এসব অস্ত্র লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ এবং মার্কিন নৌজাহাজে হামলায় ব্যবহৃত করাই উদ্দেশ্য ছিল হুতিদের। উল্লেখ্য, এর আগে ২৪ ফেব্রুয়ারি ইয়েমেনে হুতিদের ১৮টি লক্ষ্যবস্তুর ওপর নতুন করে হামলা চালায় মার্কিন এবং ব্রিটিশ বাহিনী। এ প্রসঙ্গে এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে হুতিদের হামলা অব্যাহত থাকায় ইরান-সমর্থিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন নতুন করে হামলা শুরু করেছে।

যৌথ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘হামলাগুলো ইয়েমেনের আটটি স্থানে হুতির ভূগর্ভস্থ অস্ত্রের ভান্ডার, ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা, ড্রোন বিমান ব্যবস্থা, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডারসহ ১৮টি হুতি লক্ষ্যবস্তুকে টার্গেট করে চালানো হয়েছে।’বিবৃতিটি অস্ট্রেলিয়া, বাহরাইন, ডেনমার্ক, কানাডা, নেদারল্যান্ডস এবং নিউজিল্যান্ডসহ স্বাক্ষরিত বলে জানিয়েছে রয়টার্স। এসব দেশ এই নতুন দফা হামলায় অনির্দিষ্ট সমর্থন দিয়েছে।

এই অঞ্চলে বিদ্রোহীরা জাহাজে আক্রমণ শুরু করার পর থেকে এই মাসে দ্বিতীয় এবং চতুর্থ দফা হুতিদের বিভিন্ন স্থাপনায় যৌথ হামলা চালানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে হুতিরা বাণিজ্যিক ও নৌজাহাজে ৪৫টিরও বেশি হামলা চালিয়েছে, যা বিশ্বঅর্থনীতির পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য এই হামলা হুমকিস্বরূপ।’ব্রিটেনের সঙ্গে যৌথ অভিযান ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র আত্মরক্ষার্থে ইয়েমেনে হুতি অবস্থান এবং অস্ত্রশস্ত্রের বিরুদ্ধে বার বার একতরফা হামলা চালিয়েছে এবং লোহিত সাগরে বিমান ও সমুদ্রবাহিত ড্রোন ভূপাতিত করেছে।

পেন্টাগন প্রধান লয়েড অস্টিন হামলার পর এক পৃথক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জীবন ও বাণিজ্যের অবাধ প্রবাহ রক্ষার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিধা করবে না।’তিনি আরও বলেন, ‘আমরা হুতিদের কাছে পরিষ্কার করে দেব যে, তারা যদি তাদের অযাচিত আক্রমণ বন্ধ না করে, যা মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতির ক্ষতি করে, পরিবেশের ক্ষতি করে এবং ইয়েমেন এবং অন্যান্য দেশে মানবিক সহায়তা প্রদানে ব্যাঘাত ঘটায়, তাহলে তারা এর পরিণতি ভোগ করবে।’

 

 

কিউএনবি /আয়শা/২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪/সন্ধ্যা ৬:০৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit