বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পাকিস্তানে স্কুলের ছাদ ধসে ১৬ শিক্ষার্থী নিহত, আহত ১৯ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: মন্ত্রী মিষ্টির শূন্য আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু কাল ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা নির্ধারণ করে নতুন অধ্যাদেশ জারি উত্তর কোরিয়া ও চীনের মধ্যে নতুন সেতু চালু, নিষেধাজ্ঞা এড়াবেন কিম? বলিউড অভিনেতা ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার রাজধানীসহ সারাদেশে শীত নামবে কবে, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর ‘ছিনতাই’ সন্দেহে দিল্লিগামী ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ, এরপর যা হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতি বছর গবেষণা-উদ্ভাবন মেলা আয়োজনের উদ্যোগ

যেভাবে বদলে যায় মাওলানা তারিক জামিলের জীবন

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২১৫ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :পাকিস্তানে ইসলামি ব্যক্তিত্ব হিসেবে সমাদৃত মাওলানা তারিক জামিল। তার বয়ানে প্রভাবিত রাজনৈতিক নেতারাও। তাকে শ্রদ্ধার চোখে দেখেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও। ক্ষমতায় থাকাকালীন ইমরান খানের সরকারি বাসভবনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বয়ান ও দোয়া পরিচালনা করেছিলেন মাওলানা তারিক জামিল।

তিনি ছিলেন একজন মেডিকেল শিক্ষার্থী। দাওয়াতে তাবলিগের সংস্পর্শে বদলে যায় তার জীবন। হয়ে উঠেন আধ্যাত্মিক রাহবার। দেশ ছাড়িয়ে বিশ্বময় তিনি এখন মুসলিম যুবকদের আদর্শ-অনুকরণীয় ব্যক্তি। 

ধর্মপ্রাণ ও ইসলামি অঙ্গনের মানুষের কাছে তিনি যেমন বরণীয়, ঠিক তেমনি তার প্রভাব রয়েছে পাকিস্তানের ক্রিকেটার, অভিনয় শিল্পী, সেলিব্রিটিদের মাঝেও। 

বর্তমানে ইসলামি ব্যক্তিত্ব হিসেবে বরণীয় হলেও জীবনের শুরুর দিকে মাওলানা তারিক জামিল ছিলেন আর দশজন সাধারণ যুবকের মতো। খেলাধুলা, আনন্দ-উৎসব, সিনেমা-মুভি দেখা তার কাছে ছিল সাধারণ বিষয়।
মাওলানা তারিক জামিল নিজেই তার জীবনের পরিবর্তনের গল্প বলেছেন- ‘আমি দীনি পরিবেশে বেড়ে উঠিনি, জুনাইদ জামশেদের মতো আমিও একসময় গান গাইতাম, সিনেমা দেখতাম।’

মেডিকেলে পড়াশোনার সময়েই পরিবর্তন আসে তার জীবনে। এ সময় এক বন্ধুর মাধ্যমে তাবলিগের সংস্পর্শে আসেন তিনি৷ এরপর ধীরে ধীরে পরিবর্তন ঘটে তার জীবনে।

মাওলানা তারিক জামিল বলেন, আমার এক স্কুল ফ্রেন্ড তাবলিগ করত। সে আমাকে এক প্রকার জোর করেই তিন দিনের জন্য তাবলিগে নিয়ে যায়। সেখান থেকেই মূলত আমার মনে হলো ডাক্তার নয়, আমাকে তাবলিগ করতে হবে। মানুষের কাছে ইসলামের বাণী ছড়িয়ে দিতে হবে। এই বোধদয়ের পর তাবলিগ থেকে ফিরেই আমি মাদ্রাসায় ভর্তি হয়ে যাই।

১৯৭১ সালে মেডিকেল কলেজ ছেড়ে তিনি লাহোরের জামিয়া আরাবিয়া, রায়বেন্ডে পড়াশোনা করতে চান; কিন্তু তার বাবা ছেলের ডাক্তারি জীবন ছেড়ে ধর্মীয় শিক্ষার বিরোধিতা করেন। এ কারণে তখন তিনি জামিয়া রশিদিয়া শাহীওয়ালে ভর্তি হন। পরবর্তীতে তার বাবা ধর্মীয় শিক্ষার বিষয়টি মেনে নিয়ে তাকে রায়বেন্ড মাদ্রাসায় ভর্তি করে দেন। এখানেই তিনি কুরআন, হাদিস, ফিকহ, শরিয়া, তাসাউফে বুৎপত্তি অর্জন করেন৷

কিউএনবি/অনিমা/০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪/সন্ধ্যা ৭:৩৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit