রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন

ফল প্রকাশের আগেই পাকিস্তানের জন্য ‘দরদ’ যুক্তরাষ্ট্রের

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৯১ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তানের ভোটের দিন মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেছে, তারা পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নিতে আগ্রহী । ওয়াশিংটনে প্রেস ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের প্রেস সচিব বেদান্ত প্যাটেল বলেন, আমরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আগ্রহী। পাকিস্তানে যে দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন, আমরা দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক ও অংশীদারিত্ব বাড়াতে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে আগ্রহী।

তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, ‘পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে কে আসবে, সে বিষয়ে দেশটির জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে। আর তারা (যুক্তরাষ্ট্র) গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আগ্রহী।’পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চেয়ারম্যান ও দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই অনেকবার সাংবাদিকদের কঠিন প্রশ্নের মখোমুখি হয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর। কারণ, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান অভিযোগ করেছিলেন, তাকে অপসারণের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের হাত আছে। যদিও মার্কিন কর্মকর্তারা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। 

বর্তমানে কারাগারেই আছেন ইমরান খান। তাকে তিনটি মামলায় যথাক্রমে ১০, ১৪ ও ৭ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এসব মামলার কারণে তাকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করেছে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন। এছাড়াও তার দলের প্রতীক ‘ব্যাট’ কেড়ে নেয়ায় দলটির প্রার্থীরা স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করছেন। ফল এখনো পুরোপুরি প্রকাশ না হলেও সবশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বেশি আসন পেয়ে এগিয়ে আছেন।
অন্যদিকে নির্বাচনকে ঘিরে দেশটিতে সহিংসতার ঘটনাও ঘটেছে। প্রার্থী নিহত, দলীয় কর্মীরা আহতসহ বহু ক্ষয়ক্ষতিরও ঘটনা ঘটেছে। এসব সহিংসতার ঘটনা নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রশ্ন করা হলে প্যাটেল বলেন, আমরা নির্বাচনে আগে ও ভোটের দিনে সহিংসতার সব ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের নির্বাচন-সম্পর্কিত সহিংসতা পাকিস্তানের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে প্রভাবিত করেছে। এটি ভোটকেন্দ্র, নির্বাচনী কর্মকর্তাদের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের ওপরও প্রভাব ফেলেছে।’ 

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের প্রেস সচিব আরও বলেন,
মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন। আমরা ভোটের দিন পাকিস্তানজুড়ে ইন্টারনেট এবং মোবাইল নেটওয়ার্কের অ্যাক্সেসের ওপর নিষেধাজ্ঞার রিপোর্টগুলো ট্র্যাক করছি।’প্যাটেল আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে মিলে পাকিস্তানের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, মুক্ত গণমাধ্যম, প্রাণবন্ত নাগরিক সমাজ এবং দেশটির সব নাগরিকের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগের ওপর জোর দেয়া অব্যাহত রাখবে।’ তবে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলের আগে ওয়াশিংটন কোনো ‘পদক্ষেপ’ নেবে না। তাই এ বিষয়ে আর কেনো মন্তব্য করতে চান না বলে জানান প্যাটেল।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪,/দুপুর ১:৫৫

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit