ডেস্ক নিউজ : শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কন্ট্রোল রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। পুলিশ কমিশনার মাহবুব বলেন, আখেরি মোনাজাত সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে বলে আমাদের জানানো হয়েছে। আমরা এই সময়ের জন্য আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজিয়েছি। দূর-দূরান্ত থেকে মোনাজাতে অংশগ্রহণের জন্য মুসল্লিরা আসবেন।
এ কারণে তাদের সুবিধার জন্য শনিবার রাত ১২টা থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর থেকে গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস, আব্দুল্লাহপুর থেকে কামারপাড়া রোড হয়ে গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী স্টেশন রোড পর্যন্ত সড়ক, আব্দুল্লাহপুর থেকে আশুলিয়ার বাইপাইল পর্যন্ত এবং মিরের বাজার থেকে টঙ্গী পর্যন্ত সড়কে সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
ঢাকাগামী লোকজন ও যানবাহনগুলোকে ভোগড়া বাইপাস দিয়ে তিনশো ফিট রাস্তা ব্যবহার করে চলাচল করতে বলা হয়েছে। যেসব লোকজন ময়মনসিংহ বা গাজীপুর যাবেন, তারা বাইপাইল থেকে জয়দেবপুর চৌরাস্তা হয়ে চলে যাবেন।এদিকে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে দুই দিনে ১০ জন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। বার্ধক্যজনিত কারণে, দুর্ঘটনা এবং বিভিন্ন রোগে অসুস্থ হয়ে তারা মারা যান।
শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকে শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা পর্যন্ত ময়দানে তিন মুসল্লির মৃত্যু হয়। এর আগে প্রথম দিন শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত একজন পুলিশ সদস্যসহ ৭ জনের মৃত্যু হয়। রাত থেকে মারা যাওয়া তিন মুসল্লি হলেন: শেরপুর সদরের জুগনিবাগ গ্রামের মৃত শমশের আলীর ছেলে নওশের আলী (৬৫), ভোলার সামানদার গ্রামের বেলায়েত হোসেনের ছেলে আব্দুল কাদের (৫৫) ও নেত্রকোনা সদরের কালিয়াঝুড়ি এলাকার হোসেন আহম্মদের ছেলে স্বাধীন (৪৫)।
আর শুক্রবার রাত পর্যন্ত বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে মারা যাওয়া চার মুসল্লি হলেন: নেত্রকোনা জেলার কুমারী বাজার এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে আবদুস সাত্তার (৭০), একই জেলার বুড়িঝুড়ি স্বল্পদুগিয়া গ্রামের আব্দুস ছোবাহানের ছেলে এখলাস মিয়া (৬৮), ভোলা জেলার ভোল্লা গ্রামের নজির আহমেদের ছেলে শাহ আলম (৬০) ও জামালপুর জেলার তুলশীপুর এলাকার পাকুল্লা গ্রামের হযরত আলীর ছেলে মতিউর রহমান (৬০)। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা শুরু হয়ে আখেরি মোনাজাত হবে ১১ ফেব্রুয়ারি।
কিউএনবি/আয়শা/০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪,/বিকাল ৫:২৮