শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:২৪ অপরাহ্ন

বাজারে পণ্য সরবরাহে ঘাটতি না রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৮৯ Time View

ডেস্ক নিউজ : সোমবার (২৯ জানুয়ারি) নিজ কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের এমন নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরে তিনি বলেন, নির্বাচনের পরে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সমন্বয়ের ভিত্তিতে সেই বিষয়ে কাজ করতে বলেছেন। বৈঠকে মন্ত্রীদের কাছ থেকে এর সর্বশেষ অবস্থা জেনেছেন প্রধানমন্ত্রী। মন্ত্রীরা কী কী কাজ করেছেন এবং তাদের অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন।
রমজানে যে পণ্যগুলোর দরকার হয়, বিশেষ করে খেজুর, ভোজ্যতেল, চিনি ও চাল- এই চারটি পণ্যের শুলক্হার কমানোর জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেটি নিয়ে এখন তারা কাজ করছেন। শুল্কহার কী পরিমাণ কমানো হবে; সেটি এনবিআর হিসাব করে দেখবে, যাতে করে দ্রব্যমূল্যের চাপটা মানুষের ওপর কম থাকে। তাছাড়া বাজারে যেন চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহে কোনো ঘাটতি না থাকে, প্রধানমন্ত্রী সেই নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে। গত বছরের এই সময়ের তুলনায় এখন এলসি খোলার পরিমাণ অনেক বেশি আছে। খাদ্য মজুতের পরিমাণও অনেক বেশি আছে, সেই তথ্যগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরবারহে যেনে কোনো ঘাটতি না হয়, সেদিকে সমন্বিতভাবে নজরদারি করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে নির্দেশনা দিয়েছেন। মন্ত্রীদের জবাবে প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন জানিয়ে মাহবুব হোসেন বলেন, ‘তিনি (প্রধানমন্ত্রী) সবকিছু শোনার পর নির্দেশনা দিয়েছেন। বাকি কাজটুকু মাঠ পর্যায়ে যেভাবে চলছে, সেটি অব্যাহত রাখতে বলেছেন। বাজারে সরবরাহ যাতে কোনোভাবেই বিঘ্ন না হয়, সেজন্য এলসি ওপেন করে দিচ্ছেন যাতে কেউ কোনো কারসাজি করতে না পারেন।’
তিনি বলেন, চালের দাম নিম্নগামী। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছেন। এছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে এলসির (ঋণপত্র) সমস্যা নেই জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, গত বছরের এই সময়ে ৩৭ হাজার ১০৭ টন খেজুর আমদানির এলসি খোলা হয়েছিল, এবার এখন পর্যন্ত ৪৪ হাজার ৭৩৪ টন এলসি খোলা হয়েছে। এছাড়া গত বছর এই সময় ৯৭ হাজার ২৮৭ টন অপরিশোধিত সয়াবিন তেল আমদানির এলসি করা ছিল। এবার ১ লাখ ২৫ হাজার ৩৭৪ টনের এলসি করা আছে। গত বছর এই সময় ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭০ টন অপরিশোধিত চিনি আমদানির এলসি খোলা হয়েছিল। এবার ৩ লাখ ৮৭ হাজার ১৩৮ টন চিনি আমদানির এলসি খোলা হয়েছে। কাজেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করতে ডলারের সংকট আছে, পরিসংখ্যান সেটাও বলছে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৯ জানুয়ারী ২০২৪,/রাত ৮:৪৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

February 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit