এ হামাস কর্মকর্তা আরও বলেন, চুক্তিতে বন্দি বিনিময়ের বিষয়টিও থাকছে। চুক্তির আওতায় বন্দি ইসরাইলি নারী ও শিশুদের মুক্তির বিনিময়ে ইসরাইলের কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনি নারী ও শিশুদের মুক্তি দেয়া হবে। আল রিশক জানান, যুদ্ধবিরতি চুক্তির লক্ষ্যে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই আলোচনা চলছে। তবে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এখনও নিশ্চিত করেননি। ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর সবগুলো ব্রিগেডই এরই মধ্যে ফোনের মাধ্যমে চুক্তিতে সম্মতি জানিয়েছেন বলেও জানান এই হামাস কর্মকর্তা।
হামাসের অন্যতম শীর্ষ নেতা ইসমাইল হানিয়াহ এক টেলিগ্রাম বার্তায় জানিয়েছেন, ‘আমরা একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।’ ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল জানিয়েছে, গত রোববার (১৯ নভেম্বর) নেতানিয়াহুর যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভাও জিম্মি মুক্তির বিষয়টি আলোচনা এগিয়ে নেয়ার জন্য নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছে এবং কাতারকে একটি বার্তা পাঠাতে চায় যে তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে প্রস্তুত।
যুদ্ধবিরতির আলোচনা অনেকটা এগিয়ে গেলেও গাজার বিভিন্ন এলাকায় হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইলি সেনারা। মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) আগ্রাসনের ৪৬তম দিনে উত্তর গাজার আল নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে দফায় দফায় বোমাবর্ষণ করা হয়েছে।
হামলায় শিবিরে অন্তত ২০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। যার মধ্যদিয়ে এখন পর্যন্ত মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৩০০ জনে। যার অর্ধেকেরই বেশি নারী ও শিশু। এছাড়া এদিন জাতিসংঘের একাধিক আশ্রয়কেন্দ্রও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উত্তরে ইন্দোনেশিয়ান হসপিটাল ও কামাল আদওয়ান হসপিটাল এলাকা ঘেষেও এই মুহূর্তে হামলা চলছে।