ডেস্ক নিউজ : মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে ডায়াবেটিস ফেডারেশন আয়োজিত বারডেম মহিলা ও শিশু হাসপাতালের সভা কক্ষে ‘ডায়াবেটিসের ঝুঁকি জানুন, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন’ বিষয়ক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় ইনসুলিন আবিষ্কারক বিজ্ঞানী ফ্রেডরিক বেনকিন ও চার্লস বেস্টের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন তিনি।
জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘স্বাধীনতার পরপরই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করেন। কমিউনিটি পর্যায়ে গ্রামীণ হাসপাতাল স্থাপন করেছিলেন। তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ইন্টারনেটের সেবা দিয়ে প্রতিটি গ্রামকে শহরে পরিণত করছেন। সারা বাংলাদেশে গত ১৪ বছরে স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’
উপজেলা পর্যায়ে ৫০ শয্যার হাসপাতাল, সাড়ে ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক, ২৭ ধরনের ওষুধ বিনা মূল্যে গ্রামের সাধারণ জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানান পলক। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেয়ার ফলে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল এবং অর্থনৈতিকভাবে মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের সর্বত্র ইন্টারনেটকে সুলভ এবং সহজলভ্য করা হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন,
বাংলাদেশের ১৩ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী টেলিমেডিসিন সেবা দূরবর্তী জায়গা থেকেও পাচ্ছেন। পলক বলেন, ২০৪১ সাল নাগাদ দেশের প্রত্যেক নাগরিককে সুস্থ-সবল, প্রগতিশীল ও উদ্ভাবনী স্মার্ট নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে ডায়াবেটিস সম্পর্কে সচেতনতার পাশাপাশি নিয়মিত ডায়াবেটিস পরীক্ষা, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন ও নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন করতে হবে।
বাংলাদেশ ডায়াবেটিস সমিতির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আয়োজনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিকস ম্যালার, নভো নরডিস্ক-এর ভিপি ও জিএম রাজর্ষি দে সরকার।
কিউএনবি/আয়শা/১৪ নভেম্বর ২০২৩,/বিকাল ৫:৩০