বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ আজ হচ্ছে না উত্তাল বেলুচিস্তান, চারদিনে পুলিশ-সেনাসহ নিহত ৯৬ বিশ্বের বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকা থেকে ঢাকার অবস্থান বদলাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী রাঙামাটিতে ৯৮ স্থানে পাহাড় ধস, রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন যে আইনে আ.লীগের বিচার, হতে পারে নিষিদ্ধ আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী তিনটি নতুন উপজেলা গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি আপিল খারিজ: তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও গণভোট পুনর্বহাল প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ শুটিং সেটে পোকামাকড়ের কামড়ে গুরুতর অসুস্থ জনপ্রিয় অভিনেতা, উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দাবি

চাকরি ও ব্যক্তিজীবন থাকুক আলাদা

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১০০ Time View

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : বর্তমান সময়ে চাকরি জীবন ও ব্যক্তিজীবন ঠিক রাখা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কর্মব্যস্ততা, পারিবারিক দায়-দায়িত্বের মাঝে ব্যক্তিগত এবং কর্মজীবন অনেক সময়েই গুলিয়ে যায়। কারও ক্ষেত্রে তা পরস্পর-বিরোধীও হয়ে উঠতে পারে।

পেশাকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে অনেকেই পরিবার থেকে আলাদা হয়ে যান। আবার পরিবার, সম্পর্কের মূল্য দিতে গিয়ে অনেকে কর্মজীবনে ইতি টেনে দেন।

তবে সুস্থ এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে চাইলে পেশা এবং ব্যক্তিগত জীবন আলাদা করা খুবই জরুরি।  যাতে দু’টি ক্ষেত্র কোনও ভাবেই পরস্পরের সীমা লঙ্ঘন না করে।

অন্যদিকে স্বামী-স্ত্রী দুইজনই কর্মজীবী হলে অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা দ্বিগুণ হয়ে যায়। কিন্তু মনোবিদেরা বলছেন, কাজ এবং ব্যক্তিগত জীবন আলাদা করে নয় বরং এই দুইয়ের সমন্বয়ে স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা তৈরি করতে পারাই দম্পতিদের জন্যে বুদ্ধিমানের কাজ হবে। কিন্তু তার জন্যে কী কী মেনে চলতে হবে?

১. একান্ত সময় কাটানো

যত কাজ বা ব্যস্ততাই থাকুক, দিনের শেষে নিজেদের জন্যে একান্ত সময় বের করে নিতে হবে। একসঙ্গে সিনেমা দেখা, বই পড়া কিংবা গান শোনার পাশাপাশি সাধারণ কিছু বিষয় কিংবা বাড়ির দৈনন্দিন নিয়ে আলোচনা করাও সম্পর্কের বাঁধন মজবুত করতে পারে। এছাড়া মাঝে মাঝে ছুটি নিয়ে কোথাও ঘুরেও আসতে পারেন।

২. বাড়িতে অফিসের কাজ না করা

স্বামী-স্ত্রী, দু’জনেই পেশাগত সমস্যা নিয়ে নাজেহাল হচ্ছেন। বাড়ি ফিরেও দু’জন আলাদা ঘরে গিয়ে ল্যাপটপে মুখ গুঁজে সমস্যার নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করছেন। এতে পেশাদার হিসেবে সুনাম অর্জন করতে পারলেও ব্যক্তিগত জীবন সুখকর না-ও হতে পারে। তাই কর্মক্ষেত্রের সমস্যা বাড়ি পর্যন্ত টেনে না আনতে পারলেই ভাল।

৩. ফোন-ল্যাপটপ কম ব্যবহার করা

একসঙ্গে থাকা মানে এক ঘরে নিজেদের মতো করে থাকা নয়। একই ঘরে থেকে এক জন হয়তো ল্যাপটপে মুখ গুঁজে সিরিজ় দেখছেন। অন্য জন হয়তো ফোনে বন্ধুর সঙ্গে গল্প করছেন। এক ঘরে থাকলেও তাতে কিন্তু নিজেদের সময় দেওয়া হচ্ছে না। তাই মনোবিদেরা বলেন, কাজ থেকে ফেরার পর, ফোন কিংবা ল্যাপটপের ব্যবহার যতটা সম্ভব কমিয়ে আনা যায়, ততই ভাল।

কিউএনবি/অনিমা/০৭ নভেম্বর ২০২৩/দুপুর ১:৫২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit