সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কর্তৃক মাদকদ্রব্য সহ আসামী আটক নওগাঁয় নিজেদের বেতনের টাকা থেকে স্কুল ড্রেস গড়িয়ে দিলেন শিক্ষক-শিক্ষিকা ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কর্তৃক সীমান্তে অভিযান চালিয়ে মাদকসহ আটক-১ নওগাঁয় কালোবাজারি ঠেকাতে ফুয়েল অ্যাপের মাধ্যমে জ্বালানি তেল বিক্রি শুরু, ফিরেছে স্তিতি ছদ্মবেশী অভিযানে ইয়াবাসহ ধরা পড়লো মাদক কারবারি নোয়াখালীতে ৩৭৯৮ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদককারবারি গ্রেপ্তার অতীত সরকারের ভুলে হামের সংকটে দেশ : সবাইকে একসাথে দায়িত্ব নিতে হবে — ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল রাবাব ফাতিমার বৈঠক সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্ব….নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংয়ের মারধরে ব্যবসায়ীর মৃত্যু  হাতিয়ায় পুকুরে ডুবে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

বিরামপুর সরকারি কলেজ লাইব্রেরির দুই সহস্রাধিক বই চুরি॥

মোঃ আফজাল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি ।
  • Update Time : রবিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১১২ Time View

মোঃ আফজাল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি : বিরামপুর সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অদ্বৈত্য কুমার অপুর ব্যক্তিগত পিয়ন শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে কলেজ লাইব্রেরির দুই সহ¯্রাধিক দুষ্প্রাপ্য বই চুরির ঘটনা ঘটেছে। ইউএনও নুজহাত তাসনিম আওনের কাছে পিয়ন শহিদুল ইসলাম বই চুরির কথা স্বীকার করলেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় বই চুরির সাথে অধ্যক্ষ অদ্বৈত্য কুমারের যোগসাজোশ আছে কি না এ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বই চুরির বিষয়টি উন্মোচি হয়। সূত্র মতে বিরামপুর কলেজটি ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি অনেক পুরোনো হওয়ায় লাইব্রেরিতে অনেক দুষ্প্রাপ্য বই ছিলো। গত বছর ২ অক্টোবর কলেজের ভাইস প্রিন্সিপ্যাল অদ্বৈত্য কুমার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। যোগদান করেই বিভিন্ন সময় চুরির সাথে অভিযুক্ত শহিদুল ইসলামকে ব্যক্তিগত পিয়ন হিসেবে নিযুক্ত করেন। শহিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন পর অধ্যক্ষের ব্যক্তিগত পিয়ন হওয়ায় একের পর এক অনিয়ম করতে শুরু করে। অধ্যক্ষ সবকিছু দেখেও না দেখার ভান করেন। এতে শহিদুল ইসলাম আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, কলেজ লাইব্রেরির দায়িত্বপ্রাপ্ত লাইব্রেরিয়ান ক্রিড়া শিক্ষক রবিউল ইসলাম বৃহস্পতিবার বিকেলে লাইব্রেরিতে গিয়ে সবগুলো সেলফ ফাঁকা দেখতে পান। বিষয়টি তিনি তাৎক্ষণিকভাবে অধ্যক্ষ অদ্বৈত্য কুমারকে জানান। বিষয়টি ইউএনও কে জানানো হলে ইউএও লাইব্রেরির দায়িত্বে থাকা ক্রিড়া শিক্ষক রবিউল ইসলাম এবং পিয়ন শহিদুল ইসলামকে ডেকে নেন। সেখানে শহিদুল ইসলাম বই চুরি করে বিক্রি করে দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। এ সময় ইউএনও শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু অধ্যক্ষ অদ্বৈত্য কুমার ব্যক্তিগত পিয়ন শহিদুলকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে ওঠেন। উল্টো নিরহ ক্রিড়া শিক্ষক রবিউল ইসলামকে ফাঁসাতে পাঁয়তারা শুরু করেছেন। এ ঘটনায় অধ্যক্ষ অদ্বৈত্য কুমারের ভূমিকা নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাবেক এক অধ্যক্ষ ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এত বড় একটা ঘটনা বর্তমান অধ্যক্ষের অদক্ষতার পরিচয়। চোর ধরা পড়ার পরও কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রমাণ করে এ ঘটনার সাথে তার যোগসাজোশ আছে। এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অদ্বৈত কুমারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের প্রক্রিয়া চলছে।

 

কিউএনবি/আয়শা/২২ অক্টোবর ২০২৩,/বিকাল ৪:৫৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit